Monthly Archives
February 2025
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগামী ১৬ মার্চ বি টি কলেজ প্রাঙ্গণে রাজ্যভিত্তিক বসন্ত উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। আজ পশ্চিম ত্রিপুরা জেলাশাসকের কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে রাজ্যভিত্তিক বসন্ত উৎসব উদযাপন উপলক্ষে এক প্রস্তুতি সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আগরতলা পুরনিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার এই সভায় সভাপতিত্ব করেন।
প্রস্তুতি সভায় মেয়র দীপক মজুমদার বলেন, বসন্ত মানেই রঙের উৎসব। এবছর নতুন আঙ্গিকে ও নতুন পরিসরে রাজ্যভিত্তিক বসন্ত উৎসব পালিত হবে। ত্রিপুরার পুরনো সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য অনুসরণ করে উৎসবে হোলির গান ও নৃত্য, মনিপুরী, রবীন্দ্র, বৈষ্ণব, জনজাতিদের হোলি গান ও নৃত্য তুলে ধরা হবে। এই উৎসবকে সর্বাঙ্গীন সাফল্যমন্ডিত করার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।
সভায় পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল এবং পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ডা. বিশাল কুমার অনুষ্ঠানকে সাফল্যমন্ডিত করার জন্য আহ্বান জানান। সভায় পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সদস্যগণ, পশ্চিম জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক সজল বিশ্বাস, পুরাতন আগরতলা ও ডুকলি ব্লকের বিডিও, বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকগণ সহ রাজ্যভিত্তিক ও পশ্চিম জেলা সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা কমিটির সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
উদ্যোগীদের সহজতর পদ্ধতিতে ব্যাঙ্ক ঋণ দেওয়া হলে আর্থসামাজিক অবস্থা সুদৃঢ় হবে : রাজ্যপাল
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- উদ্যোগীদের সহজতর পদ্ধতিতে ব্যাঙ্ক ঋণ দেওয়া হলে আর্থসামাজিক অবস্থা সুদৃঢ় হবে। আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তুলতে দেশীয় পণ্য সামগ্রীর ব্যবহারের উপর আমাদের আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। আজ হোটেল পোলো টাওয়ারে নাবার্ড আয়োজিত স্টেট ক্রেডিট সেমিনারের উদ্বোধন করে একথা বলেন রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নান্নু।
সেমিনারে রাজ্যপাল আরও বলেন, বিকশিত ভারত গড়তে হলে আমাদের কি পরিকল্পনা নিয়ে এগুতে হবে তার রূপরেখা এখনই ঠিক করা উচিত। রাজ্যের প্রাকৃতিক সম্পদকে ভিত্তি করে যদি শিল্প গড়ে তোলা যায় তাহলে রাজ্যের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে। সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্টেট ফোকাস পেপার ২০২৫-২৬-এর সূচনা করেন রাজ্যপাল সহ অন্যান্য অতিথিগণ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডিড নান্নু বলেন, শিল্প গড়ে উঠলে কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে। আগর, ক্যুইন আনারস, রাবার, চা, বাঁশ এসব প্রাকৃতিক সম্পদকে ভিত্তি করে শিল্প গড়ে তোলার জন্য স্থানীয়দের আরও উন্নতমানের প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত। অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল মৎস্যচাষের মাধ্যমেও রাজ্যে প্রচুর কর্মসংস্থানের পাশাপাশি আর্থিক লাভালাভের সুযোগ রয়েছে বলে অভিমত প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে রাজ্যের উদ্যোগীদের আরও সহজতর উপায়ে ঋণদানের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য রাজ্যের বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ত্রিপুরা শাখার জেনারেল ম্যানেজার সুরেন্দ্র নিডর, অর্থ দপ্তরের সচিব অপূর্ব রায়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নাবার্ডের ত্রিপুরা শাখার জেনারেল ম্যানেজার অনিল এস কোটমায়ার। ধন্যবাদসূচক বক্তব্য রাখেন নাবার্ডের ডিজিএম রাজেশ চান্দেকর।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ১১ দফা দাবিতে দেশের বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি রাজ্যেও সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করেছে AIKKMS. রাজ্যে মূল কর্মসূচিটি পালিত হয় রাজধানীর বটতলা এলাকায়। সভায় দাবিগুলির সমর্থনে সংগঠনের নেতৃত্বরা বক্তব্য বক্তব্য রাখার পাশাপাশি সারা দেশের ন্যায় ত্রিপুরাতেও এই ১১-দফা দাবির ভিত্তিতে রাজ্যব্যাপী আন্দোলন গড়ে তুলতে কৃষক ও ক্ষেতমজুরদের প্রতি আহ্বান জানান।
এছাড়া এদিন বিক্ষোভ স্থল থেকে সংগঠনের নেতৃত্ব সংবাদ মাধ্যমকে জানান, দিল্লীর ঐতিহাসিক কৃষক আন্দোলনের ফলে বাধ্য হয়ে কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার তিনটি কালা কৃষি আইন প্রত্যাহার করেছে, কিন্তু কৃষি ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য প্রদানে আইন প্রণয়ন সহ অন্যান্য দাবিগুলি পূরণের প্রতিশ্রুতি দিলেও কোনটাই পূরণ করেনি।
বরং নূতন করে ‘নিউ ন্যাশনাল পলিসি ফ্রেমওয়ার্ক অন এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং’ প্রবর্তনের মাধ্যমে তিন কালা আইন আবার চালু করতে চাইছে। এমতাবস্থায় কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারের কৃষক স্বার্থ বিরোধী এবং কর্পোরেট স্বার্থবাহী এইসব নীতিগুলির বিরুদ্ধে এ আই কে কে এম এস দেশব্যাপী আন্দোলন গড়ে তুলছে। তারই ধারাবাহিকতায় ২৫ ফেব্রুয়ারী দেশের সমস্ত রাজ্যের রাজধানী সহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে ১১-দফা দাবিতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচী আয়োজন বলে।
এছাড়া এদিন তিনি উত্থাপিত ১১ দফা দাবী সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন :-
১) ন্যূনতম সহায়ক মূল্য প্রদানে আইন প্রণয়ন করতে হবে
২) কৃষিক্ষেত্রে বহুজাতিক কোম্পানির অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হবে।
৩) বিদ্যুৎ বিল ২০২৩ এবং প্রিপেইড স্মার্ট মিটার বসানো বাতিল করতে হবে।
৪) ক্ষেতমজুরদের সারা বছরের কাজ ও উপযুক্ত মজুরি দিতে হবে।
৫) ৬০ বছর উর্দ্ধ কৃষক ও ক্ষেতমজুরদের মাসে ১০ হাজার টাকা পেনশন দিতে হবে
৬) ‘নিউ ন্যাশনাল পলিসি ফ্রেমওয়ার্ক অন এগ্রিকালচারাল মার্কেটিং’ বিল ২০২৫ বাতিল করতে হবে।
৭) সমস্ত কৃষকের কৃষি ঋণ মকুব করতে হবে ইত্যাদি।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কেন্দ্রের আর্থিক সহযোগিতা নিয়ে সিপিআইএমের কটুক্তি তীব্র প্রতিবাদ করল প্রদেশ বিজেপি
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ত্রিপুরাকে কেন্দ্রের আর্থিক সহযোগিতা নিয়ে সিপিআইএমের কটুক্তি তীব্র প্রতিবাদ করল প্রদেশ বিজেপি। মঙ্গলবার প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ের সাংবাদিক সম্মেলন করে তীব্র প্রতিবাদ জানান প্রদেশ বিজেপি -র মুখপাত্র সুব্রত চক্রবর্তী। তিনি বলেন, গত আগস্ট মাসে প্রবল বৃষ্টিতে ত্রিপুরার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভয়াবহ বন্যা হয়েছিল। এতে রাজ্যের দুই তৃতীয়াংশের অধিক মানুষ প্রভাবিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এবং পরবর্তী সময় দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ত্রিপুরা মানুষকে সব ধরনের সহযোগিতা করেছেন। বিশেষ করে এখন পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে ত্রিপুরারকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করা হয়েছে। অথচ কেন্দ্রের আর্থিক সহযোগিতার পর রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএমের পক্ষ থেকে এই সহযোগিতাকে ভিক্ষার সাথে তুলনা করা হচ্ছে। সিপিআইএমের এ ধরনের নিন্দনীয় কথা বলার পেছনে কারণ হলো মানুষ স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফিরে আসছে। এটা দেখার পর সিপিআইএমের সহ্য হচ্ছে না। রাজ্যে বামফ্রন্টের সরকারের সময় তাদের একটাই মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষের মধ্যে কিভাবে অভাব সৃষ্টি করে লেজুরবৃত্তি করা যায়। তাহলে মানুষ তাদের দাসত্ব করবে। এই চিন্তা ভাবনা নিয়ে সরকার পরিচালনা করেছিল তারা। শুধুমাত্র তারা বলতো কেন্দ্র দেয় না। আর চাঁদাবাজি করে নিজেদের আর্থিক ভান্ডার স্মৃথ করেছিল।
এখনো এর থেকে বের হয়ে আসতে পারেনি সিপিআইএম। তাই তাদের কটুক্তি মন্তব্যের জন্য তীব্র ধিক্কার জানায় ভারতীয় জনতা পার্টি। অপরদিকে সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় ৩১৫ টি শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর জন্য রাজ্য সরকারকে এবং মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহেবকে ধন্যবাদ জানান তিনি। আরো বলেন ত্রিপুরায় ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ২২ হাজারের অধিক শূন্যপদ পূরণ করা হয়েছে। আরো ৪ হাজার শূন্যপদ পূরণ করার জন্য অফার দেওয়ার বাকি রয়েছে। নতুন নিয়োগের জন্য ৮ হাজারের মতো শূন্যপদ পূরণ করার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরো ৩০ হাজার শূন্যপদ পূরণের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। তারপরও সিপিআইএম এবং কংগ্রেস মিথ্যাচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। এর তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি। আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, প্রদেশ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা।
বকেয়া দাবিতে আত্মসমর্পণকারী উগ্রপন্থীর সড়ক অবরোধ! সরকারের দাবি পূরণের আশ্বাস! প্রত্যাহার বনধ
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ট্রিপল ইঞ্জিনের দৌলতে এই বার প্রকাশ্যে রাস্তায় নেমে বকেয়া দাবি আদায়ের দাবিতে আসাম আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বসে বিগত দিনে ত্রিপুরা রাজ্যের বুকে দফায় দফায় আত্মসমর্পণকারী উগ্রপন্থী অর্থাৎ (চরমপন্থী) গোষ্ঠী । ঘটনা আজ মঙ্গলবার খোয়াই জেলা ও পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার সংযোগস্থল বড়মুড়া পাহাড়ের মধ্যে আসাম আগরতলা জাতীয় সড়কে।
ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, বিগত ৮০ ও ৯০ দশকে ত্রিপুরা রাজ্যের বুকে দিকে উগ্রপন্থীর চরম অত্যাচার কায়েম করে রেখেছিল একাংশ বৈরী গোষ্ঠী। যার দরুন তৎকালীন সময়ে অনেক মায়ের বুক খালি হয়েছিল শুধু তাই নয় তৎকালীন সময়ে গ্রাম থেকে শহর একাংশ এলাকা আগুনের লেলিহান শিখায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে সরকারের তরফে শেষ ২০০২ সালে জাতিগত দাঙ্গার পর বৈরী গুষ্টির সঙ্গে আলোচনা করে তাদেরকে স্বাভাবিক ও সুন্দর জীবনে ফিরে আসার জন্য আহ্বান করে পাশাপাশি সরকারি চাকুরি সহ সরকারের তরফে শীঘ্রই অন্ন বস্ত্র বাসস্থান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পেলে তারা বিভিন্ন বৈরী গোষ্ঠীর সঙ্গ ছেড়ে আর পাঁচটা সাধারণ মানুষের মতো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে।
কিন্তু আজ দীর্ঘ বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের দাবি সরকার কথা দিয়ে কথা রাখে নি । সরকার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। আর সরকারকে শীঘ্রই প্রতিশ্রুতি পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্যই আজ তারা ফের একবার বড়মুড়া পাহাড়ে আসাম আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বসে । দীর্ঘ ৮ ঘন্টা চলে জাতীয় সড়ক অবরোধ । স্তব্ধ হয়ে পড়ে জন-জীবন । ঘটনাস্থলে দফায় দফায় বেশ কয়েকবার মহকুমা শাসক ও পুলিশ আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক হলেও বিগত দিনের প্রতিশ্রুতি পূরণের আশ্বাস না পাওয়া অব্ধি বৈরী গোষ্ঠী তাদের অবরোধ চালিয়ে যেতে থাকে।
তাদের জাতীয় সড়ক অবরোধের পেছনে রয়েছে অন্ন বস্ত্র বাসস্থান সরকারি চাকুরি ও রোমান স্ক্রিপ্ট সহ মোট ২১ দফা দাবি । মঙ্গলবারের এই অবরোধে থেকে আত্মসমর্পণকারী বৈরীদের সংগঠনের নেতা ড্যানিয়েল বরাক জানান – অনেক হয়েছে! আর কাল বিলম্ব নয়! শীঘ্রই অবিলম্বে তাদের এই ২১ দফা দাবি গুলি পূরণ করা না হলে দাবি অনাদায়ে আগামী দিনে তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলন সংগঠিত করবে।
এই আন্দোলন প্রসঙ্গে আত্মসমর্পণকারী বৈরী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব ড্যানিয়েল বরাক আরও জানান- বর্তমানে আত্মসমর্পণকারী বৈরীদের সাথে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের ত্রিপাক্ষিক চুক্তি হয়েছিল । কিন্তু এই চুক্তি অনুসারে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলেও আত্মসমর্পণকারী বৈরীদের মামলাগুলো আজকের দিনেও তুলে নেওয়া হচ্ছে না । শুধু তাই নয়, আত্মসমর্পণকারী বৈরীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র গুলিতেও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে না।
পাশাপাশি শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যের কোন পরিকাঠামোই গড়ে তোলা হয় নি। যার দরুন সরকারের প্রতি একরাশ ক্ষোভ নিয়ে আজকে তারা এই জাতীয় সড়ক অবরোধে করতে বাধ্য হয়েছে । আর এই বনধে আজকে জরুরী পরিষেবার গাড়ি গুলিকে ছাড় দেওয়া হলেও জাতির মেরুদন্ড শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কোন ছাড় দেওয়া হয় নি । যার দরুন আজকে থেকে শুরু হওয়া অনেক বিদ্যালয়ে মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থীদের স্বল্প শিক্ষক-শিক্ষিকার দরুন অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়েছে।
এই দিকে সকাল থেকেই আজকের এই অবরোধকে ঘিরে গোটা বড়মুড়া পাহাড় চত্বর যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রূখতে বিশাল পুলিশি বেষ্টনী মোতায়েন করা হয়েছে । উপস্থিত ছিলেন জিরানীয়ার মহকুমা শাসক থেকে শুরু করে, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক কমল কৃষ্ণ কলই সহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চিরঞ্জীব । তবে আজকের এই অবরোধের ফলে আসাম আগরতলা জাতীয় সড়কের দু-পাশে দাঁড়িয়ে পড়ে অসংখ্য ছোট বড়ো যাত্রীবাহী ও পণ্যবাহী গাড়ি । দিন যতো সন্ধ্যায় ঘনাতে থাকে গাড়ির লাইন ততোই সুদীর্ঘ হতে থাকে।
অবশেষে দীর্ঘ ৮ ঘন্টা জাতীয় সড়ক অবরোধ চলার পর আত্মসমর্পণকারী বৈরী গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতা ড্যানিয়েল বরাকের নেতৃত্বে রাজধানী আগরতলার জেলা শাসক কার্যালয়ে অন্যান্য আধিকারিকদের নিয়ে এক চূড়ান্ত বৈঠকের পর ফের একবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় শীঘ্রই তাদের বকেয়া দাবি পূরণ করবে সরকার । অতঃপর আত্মসমর্পণকারী বৈরী গোষ্ঠীর সংগঠন দুপুর ৩ টা নাগাদ জাতীয় সড়ক অবরোধ মুক্ত করে । তবে আজকের এই হঠাৎ আসাম আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে এই অবরোধের পেছনে ইতি মধ্যেই কোন ধরনের এক ইন্ধনের সূত্র খুঁজে পাচ্ছে একাংশ মহল!!
দেশ ছেড়ে পালাবে নাহিদ ! পদত্যাগ করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার পদ থেকে
written by janatar kalam
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. নাহিদ ইসলাম। ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছিলেন নাহিদ ইসলাম।
একদিকে যখন দেশের মানুষ মূল্যবৃদ্ধি,ক্ষুদার্থ,স্বাস্থ্য, বিদ্যুত, কর্ম ব্যবস্থা নিয়ে জর্জরিত ঠিক এই সময়ে দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার একটা পরিকল্পনা বানিয়েছেন বলে বাংলাদেশের একাংশ নাগরিকদের অভিমত।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ৫ই আগস্ট দেশ ছেড়ে শেখ হাসিনা পালানোর পর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কতটা ভেঙে পড়ছে এটা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। ঠিক এই সময়ে দেশের ভার কাঁধে নিয়ে ৬মাস পেরোতে না পেরোতে নাহিদ ইসলামের পদত্যাগ বাংদেশের বর্তমান পরিস্থিতি প্রকাশ্যে চলে এসেছে।
যদিও নাহিদ ইসলাম মঙ্গলবার দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি, সব কমিটি থেকে ইস্তফা দিয়েছি। আমি মনে করেছি সরকারে থাকার চেয়ে রাজপথে থাকা বেশি প্রয়োজন, তাই পদত্যাগ করেছি। পাশাপাশি নতুন রাজনৈতিক দলেও তিনি অংশ নিতে আগ্রহের কথা জানান।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- নেশা মুক্ত ত্রিপুরা গড়ার আহ্বানকে সামনে রেখে নেশা কারবারীদের বিরুদ্ধে ত্রিপুরা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে সূত্রের পাওয়া খবর এর ভিত্তিতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে রাজধানী আগরতলার একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে নেশা সামগ্রী সহ নেশা কারবারিদের আটক করতে সক্ষম হলো পুলিশ।
এদিন এমবিবি কলেজ সংলগ্ন এবং আনন্দময়ী আশ্রম সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪ জন মাদক বিক্রেতাকে আটক করে পূর্ব আগরতলা থানার পুলিশ। তাদের কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণে নিষিদ্ধ মাদক হিরোইন, এইসব মাদক বিক্রি করার ২২০টি কৌটা, সেই সঙ্গে নগদ ৪ হাজার টাকাসহ একটি বাইক উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন সদর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দেবপ্রসাদ রায়।
তিনি আরো জানান, মূলত তারা মাদক সেবনকারীদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করত এবং বাইকে করে নির্দিষ্ট স্থানে এই মাদকগুলো পৌঁছে দিতো। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে রাজধানী আগরতলায় মাদক বিক্রি সংক্রান্ত বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে আগামী দিনে অভিযান চালানো হবে বলেও জানান দেবপ্রসাদ রায়।
উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন বিধায়ক তোফাজ্জল হোসেনের উপর পরীক্ষার্থীদের মনোযোগ বিঘ্নিত করার অভিযোগ এন এস ইউ আইয়ের
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- গতকাল থেকে শুরু হওয়া উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনেই পরীক্ষার্থীদের অমনোযোগী করার চেষ্টার অভিযোগ বক্সনগর বিধানসভার বিধায়ক তোফাজ্জল হোসেনের উপর। এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তোলেন বিরোধী ছাত্র সংগঠন এন এস ইউ আই।
পরীক্ষা চলাকালীন সময় পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না , এমনকি অভিভাবকদেরও প্রবেশে নিষেধ রয়েছে। তবে বিধায়ক কিভাবে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করলেন , এ বিষয়ে স্থানীয় শিক্ষা দপ্তর এবং ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন ছাত্র সংগঠন এন এস ইউ আই।
এদিন সংবাদ মাধ্যমের সামনে সংগঠনের এক কর্মী বিধায়কের ভূমিকায় ক্ষোভ ব্যক্ত করে জানান একাধিক বার পরীক্ষার্থীদের হাত তুলিয়ে তাঁদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছেন তিনি এবং যদি শিক্ষা দপ্তর এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদ বিধায়ককে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি না দিয়ে থাকেন তাহলে বিধায়কের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার আইনানুগ শাস্তির দাবি রাখেন শিক্ষাদপ্তর ও পর্ষদের নিকট।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- আগরতলা রেল স্টেশন থেকে দুই বাংলাদেশি নাগরিক ও এক ভারতীয় দালাল গ্রেফতার। সোমবার জিআরপি থানা ,রেল পুলিশ, গোয়েন্দা বিভাগ এবং বিএসএফের যৌথ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। সোমবার সন্ধ্যায় আগরতলা রেল স্টেশন থেকেই ৩৭ কেজি গাঁজাসহ ২ গাঁজা পাচারকারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
সোমবার আগরতলা রেল স্টেশন থেকে দুই বাংলাদেশি নাগরিক এবং একজন ভারতীয় দালাল সহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আগরতলা রেল স্টেশনে জিআরপি থানার পুলিশ ,রেল পুলিশ ,গোয়েন্দা বিভাগ এবং বিএসএফের যৌথ অভিযানকালে তাদের গ্রেফতার করা হয়। ধৃত দুই বাংলাদেশি নাগরিক ের মধ্যে একজন মহিলা ভীতরা হল।আরাফাত হোসাইন এবং জিনাত এরা।উভয়ের বাড়িই বাংলাদেশের ঢাকায়।
এদের সাথে বিহারের সমষ্টিপুর জেলার বাসিন্দা শচীন কুমারকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করে। শচীন কুমার দুই বাংলাদেশি নাগরিককে অবৈধভাবে সীমান্ত পার করিয়ে রেল যোগে বহিরাজ্যে নিয়ে যাচ্ছিল। ধৃতদের বিরুদ্ধে বিএনএস এক্ট, ইন্ডিয়ান পাসপোর্ট এক্ট এবং ফরেনার এক্টে একটি মামলা গ্রহণ করেছে আগরতলা রেলস্টেশনের জিআরপি থানার পুলিশ।ধৃতদের মঙ্গলবার পুলিশ রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে সুপর্দ করা হবে বলে জানান জিআরপি থানার পুলিশ আধিকারিক।
মঙ্গলবার জিআরপি থানার পুলিশ আধিকারিক আরো জানান ,সোমবার সন্ধ্যারাতে আগরতলা রেল স্টেশন থেকে দুই ড্রাগ পেডেলার কে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিআর পি থানার পুলিশ এবং রেল পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।ধৃতদের সাথে থাকা তিনটি ব্যাগ থেকে পুলিশ মোট ৩৭ কেজি গাজা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানান তিনি। পুলিশ আধিকারিক আরো জানান, ধৃত গাঁজা পাচারকারীদের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করা হবে।

