জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিধানসভায় স্মৃতিচারণ বিধায়ক সুরজিত দত্ত এবং বিধায়ক শামসুল হকের মৃত্যুতে আজ রাজ্য বিধানসভায় শোক জ্ঞাপন করা হয়েছে। অধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু সেন প্রয়াত দুই বিধায়কের স্মৃতিচারণ করে তাদের দীর্ঘ রাজনৈতিক এবং সামাজিক কর্মকান্ডের তথ্য তুলে ধরে শ্রদ্ধা জানান। তিনি প্রয়াত দুই বিধায়কের পরিবার পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান৷ সব শেষে বিধানসভার সদস্যগণ দুই মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করে প্রয়াত দুই বিধায়কের প্রতি শ্রদ্ধা জানান৷
Monthly Archives
January 2024
বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ৫০ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫ লক্ষ টাকা করার সিদ্ধান্ত বিধানসভায়
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ৫০ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫ লক্ষ টাকা করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা আজ রাজ্য বিধানসভায় এই ঘোষণা দেন। তিনি সবাইকে ইংরেজী নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বিধায়ক এলাকা উন্নয়ন প্রকল্পে একজন বিধায়ক বর্তমানে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিজ বিধানসভা এলাকায় ব্যয় করতে পারেন। বর্তমানে সেই হিসাবে এই প্রকল্পের জন্য ৩০ কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে।
কিন্তু এই অর্থের পরিমাণ বাড়ানোর জন্য অনেকেই দাবী জানিয়ে আসছিলেন। তাঁদের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রকল্পের অর্থ ৫০ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫ লক্ষ টাকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
১৯৯৭ সালে সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম সংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত চট্টগ্রাম চুক্তি
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি
পার্বত্য চট্টগ্রামের মানবাধিকার পরিস্থিতির উপর ২০২৩ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন
১৯৯৭ সালে সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়িত না হওয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রামের সামগ্রিক মানবাধিকার পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক ও উদ্বেগজনক হয়ে পড়েছে। নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দমন-পীড়ন, ধর-পাকড়, জেল-জুলুম, হত্যা, গুম, মিথ্যা মামলায় জড়িতকরণ, ভূমি বেদখল, স্বভূমি থেকে উচ্ছেদ, সরকারি মদদে সেটেলারদের গুচ্ছগ্রাম সম্প্রসারণ, অনুপ্রবেশ, জুম্মদের সংখ্যালঘুকরণ, সাম্প্রদায়িক হামলা, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন, নারীর উপর সহিংসতা ইত্যাদি মানবতাবিরোধী ঘটনা পার্বত্য চট্টগ্রামে নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উল্লেখ্য যে, পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার রাজনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধানের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৬ বছর অতিক্রান্ত হলেও পার্বত্য চুক্তি যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়নি। পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরকারী আওয়ামী লীগ সরকার গত ২০০৯ সাল থেকে ১৫ বছর ধরে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত রয়েছে। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়েও বর্তমান সরকার পার্বত্য চুক্তির মৌলিক বিষয়সমূহ বাস্তবায়নে এগিয়ে আসেনি। চুক্তি বাস্তবায়নে সরকার কোনো কার্যকর পদক্ষেপ তো গ্রহণ করেইনি অধিকন্তু চুক্তি বিরোধী ও জুম্ম স্বার্থ পরিপন্থী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে চলেছে। তার অন্যতম উদাহরণ হলো, চুক্তি স্বাক্ষরকারী পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি এবং চুক্তি মোতাবেক গঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটিকে পাশ কাটিয়ে তথা পার্বত্য চুক্তি লঙ্ঘন করে গত ২৮সেপ্টেম্বর ২০২২ পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি পর্যালোচনা মূল্যায়ন ও পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি মূল্যায়ন, অগ্রগতি ও পরিবীক্ষণ সংক্রান্ত আন্ত:মন্ত্রণালয় কমিটি’ গঠন করা এবং চুক্তি বিরোধী এই কমিটির মাধ্যমে পার্বত্য চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে ৬৫ধারা বাস্তবায়িত হয়েছে মর্মে অপপ্রচার চালানো। অথচ পার্বত্য চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে মাত্র ২৫টি ধারা বাস্তবায়িত হয়েছে। অবশিষ্ট ৪৭টি ধারা হয় সম্পূর্ণভাবে অবাস্তবায়িত অবস্থায়, নয়তো আংশিক বাস্তবায়িত করে অথর্ব অবস্থায় রেখে দেয়া হয়েছে। ২০২৩ সালে গত ৯ মার্চ কুয়াকাটায় এবং ২০ আগষ্ট জাতীয় সংসদ ভবনে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটির যথাক্রমে ৭ম ও ৮ম সভা অনুষ্ঠিত হলেও এই দু’টি সভাসহ পূর্ববর্তী সভাগুলোতে গৃহীত সিদ্ধান্তবলী বাস্তবায়নের কোনো অগ্রগতি নেই। ফলে সরকারের অসহযোগিতা ও গড়িমসির কারণে বর্তমানে পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কমিটিও অকার্যকর সংস্থায় পরিণত হতে বসেছে।সরকার চুক্তি বাস্তবায়নে নিজেদের ব্যর্থতা ধামাচাপা দিতে নিরাপত্তা বাহিনীর মাধ্যমে পার্বত্য চুক্তির বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও চুক্তি বাস্তবায়নের আন্দোলনকে নস্যাৎ করার লক্ষ্যে জনসংহতি সমিতির সকল স্তরের নেতাকর্মীসহ পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনরত জুম্ম জনগণকে ‘সন্ত্রাসী’, ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’, ‘অস্ত্রধারী দুর্বত্ত’ ,চাঁদাবাজ’ ইত্যাদি তকমা দিয়ে অপরাধীকরণ করছে। তারই অংশ হিসেবে জনসংহতি সমিতিসহ পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নে আন্দোলনরত অধিকারকর্মী ও জনগণকে সুপরিকল্পিতভাবে অবৈধ গ্রেফতার, বিচার-বহির্ভূত হত্যা,অস্ত্র গুঁজে দিয়ে আটক, মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে প্রেরণ, ওয়ারেন্ট ছাড়া ঘরবাড়ি তল্লাসী ও ঘরবাড়ির জিনিষপত্র তছনছ, মারধর, হয়রানি ইত্যাদি ফ্যাসীবাদী ও মানবাধিকার বিরোধী কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
২০২৩ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরাপত্তা বাহিনী ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, সেনা-মদদপুষ্ট সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ,সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদী গোষ্ঠী, মুসলিম বাঙালি সেটেলার ও ভূমিদস্যুদের দ্বারা ২৪০টি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে এবং এসব ঘটনায় ১,৬৮৭ জন জুম্ম মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়, ৬৪টি গ্রাম এক বা একাধিক বার সেনাবাহিনীর অভিযানের শিকার হয় এবং ৮৪টি বাড়ি ও পরিবারের সদস্যরা সেনা তল্লাসীর মুখে পড়েছে।
(ক) প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর নিপীড়ন-নির্যাতন
২০২৩ সালে নিরাপত্তা বাহিনী ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক ১৩৫টি ঘটনা সংঘটিত হয়েছে এবং এতে ৬৪৩জন মানবাধিকার লংঘনের শিকার হয়েছে। তার মধ্যে ৩১ জনকে গ্রেফতার ও সাময়িক আটক, ২৪৫ জনকে মারধর, আহত ও হয়রানি, মিথ্যা মামলার শিকার ৫৩ জন, ৬৪টি গ্রামে সামরিক অভিযান পরিচালনা, ৮৪টি বাড়ি ও পরিবারকে সেনা তল্লাসী, ৩১ পরিবারকে উচ্ছেদ ও উচ্ছেদের হুমকি, ৫টি নতুন ক্যাম্প স্থাপনের উদ্যোগ ইত্যাদি ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
(খ) সেনা-মদদপুষ্ট সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তৎপরতা
২০২৩ সালে সেনা-মদদপুষ্ট সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ কর্তৃক ৫৭টি ঘটনা সংঘটিত হয়েছে এবং এতে ১,০৫৫ জন ও ৩০টি গ্রামের অধিবাসী মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছে। তার মধ্যে ১৯ জনকে হত্যা, ১৭ জনকে মারধর,২১ জনকে অপহরণ, ২২ জনকে আটক, ৬ জনকে আটক করার পর পুলিশের কাছে সোপর্দ, ১৯৫ বম ও মারমা পরিবারের প্রায় এক হাজার গ্রামবাসীদের গ্রাম থেকে উচ্ছেদ এবং ২৫টি গ্রামের অধিবাসীদের নানা ধরনের হয়রানিও উচ্ছেদের হুমকি প্রদান ইত্যাদি ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
(গ) সেটেলার কর্তৃক হামলা ও ভূমি বেদখল
২০২৩ সালে সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদী গোষ্ঠী, মুসলিম বাঙালি সেটেলার ও ভূমিদস্যু কর্তৃক ২৪টি ঘটনা সংঘটিত হয়েছে এবং এতে ১৯টি পরিবার ও ২১০ জন জুম্ম মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছে। তার মধ্যে ৬ জনকে হত্যা এবং ১৮টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করার ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
(ঘ) যৌন হয়রানি, সহিংসতা, ধর্ষণ ও হত্যা
২০২৩ সালে রাষ্ট্রীয় ও অরাষ্ট্রীয় পক্ষ কর্তৃক জুম্ম নারী ও শিশুর উপর ২৪টি সহিংস ঘটনা সংঘটিত হয়েছে এবং এতে ২৫ জন নারী মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছে। তার মধ্যে একজনকে হত্যা, ১২ জন নারী ও শিশুকে ধর্ষণ, ৭ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা এবং ২ জন নারী ও শিশুকে অপহরণ ও পাচারের চেষ্টার ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনের উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশংসা ত্রিপুরা রাজ্যপালের
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকারি কর্মকর্তাদের আরও বেশি সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিলেন রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু। শুক্রবার বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনের উদ্বোধনী ভাষণে এই পরামর্শ দেন রাজ্যপাল।
শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে রাজ্য বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন। বছরের প্রথম অধিবেশন হওয়ায় প্রথা অনুসারে এদিন রাজ্যপালের ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অধিবেশনের কাজ । অধিবেশনের উদ্বোধনী ভাষণে রাজ্যপাল বলেন, ২০২৩ সালটি গোটা দেশের জন্য খুবই উল্লেখযোগ্য ছিল। এই প্রসঙ্গে চন্দ্রায়ন এবং আদিত্য এল-ওয়ান মিশনের উল্লেখ করেন রাজ্যপাল। ইসরোর বিজ্ঞানী সহ সকল সদস্যদের অভিনন্দন জানান রাজ্যপাল।এদিন বক্তব্যে দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশংসা করেন রাজ্যপাল ।তিনি বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহার ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নের উপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার দেশের অর্থনৈতিক ভিত বজবুত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এগিয়ে চলছে। তিনি আরো জানান ,রাজ্য সরকার মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহার নেতৃত্বে রাজ্যবাসীর সার্বিক বিকাশ, স্বচ্ছতা ও স্থায়ী উন্নয়নের লক্ষ্যে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ।সুশাসন ব্যবস্থাপনার অঙ্গ হিসেবে ২০২৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ই-কেবিনেট চালু করা হয়েছে।উল্লেখ্য এবারী প্রথম বিধানসভায় ভাষণ দিলেন রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু এদিন মোট ৪৮ মিনিট ২৭ সেকেন্ড ভাষণ দেন তিনি। গাজা অভিযানে পুলিশের সাফল্যের ও তুলে ধরেন তিনি । এদিন রাজ্যপালের প্রদত্ত ভাষণের উপর ধন্যবাদ সূচক প্রস্তাব আনেন রাজ্যের সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী রতনলাল নাথ। পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবের পক্ষে এবং বিপক্ষে আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন সদস্যরা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- শুক্রবার আগরতলা পৌরনিগমের মেয়রের কক্ষে নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন। এদিন তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান মেয়র যে নেতাজি স্কুল মাঠে কোন ধরনের পার্কিং প্লেস করা হবে না এবং রাজ্য সরকারে এ ধরনের জোর করে কোন চাপিয়ে দেওয়ার চিন্তা ভাবনাও ছিল না। আগরতলা শহরে দিন দিন যানবাহন বাড়ছে। ফলে সব থেকে বড় যে সমস্যা এখন তা হচ্ছে পার্কিংয়ের। কিছুদিন পূর্বে একটি বৈঠকে শহরের কয়েকটি জায়গা নিয়ে আলোচনা হয় পার্কিং ব্যবস্থা করার জন্য। সেরকমই নেতাজি স্কুল মাঠ নিয়েও আলোচনা হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে তারা সম্মত হয় না। ফলে এই চিন্তাভাবনা থেকে দূরে চলে আসে নিগম। শুধুমাত্র নেতাজি স্কুল নয় অন্যান্য বিকল্প অনেকটি জায়গা নিয়েও সেদিনের বৈঠকে আলোচনা হয়েছিল। যা ছিল প্রাথমিক আলোচনা মাত্র। কিন্তু কিছু কিছু স্বার্থান্বেষী মহল নেতাজি স্কুলের মাঠ নাকি পার্কিং ব্যবস্থা করে নষ্ট করে দেওয়া হবে বলে চেঁচাতে শুরু করে। যা করা হবার প্রাথমিক আলোচনা হয়েছিল তা ছিল আন্ডারগ্রাউন্ডে পার্কিং ব্যবস্থা উপরের মাঠ যেরকম আছে সেরকমই তবে অ্যাস্ট্রোটার্ফ মাঠ বানিয়ে যার উন্নতি করার প্ল্যান ছিল নিগম তথা রাজ্য সরকারের। যেহেতু স্কুল কর্তৃপক্ষ রাজী হয়নি সেজন্য পিছিয়ে আসা হয়। এরকমই আগরতলা শহরের আরো অনেকগুলি জায়গাকে পার্কিং প্লেস বানানোর চিন্তাভাবনা আছে নিগমের। তবে এটাও জানান তিনি নেতাজি স্কুলের উন্নতি চায় রাজ্য সরকার। কিছুদিন পূর্বেই স্কুলের বাউন্ডারি ওয়াল এবং জল নিকাশি ব্যবস্থার জন্য ছয় কোটি টাকা রাজ্য সরকার বরাদ্দ করেছে। ফলে স্বার্থান্বেষী মহল কে এ ব্যাপার নিয়ে রাজনীতি না করতে অনুরোধ রাখেন তিনি।
জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- নতুন বছরের শুরুতেই ভারতের বিরুদ্ধে ৫ টেস্টের সিরিজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটো টিমের কাছেই। ইংল্যান্ড ২০২১ সালে শেষবার ভারত সফরে এসেছিল। সে বার ৪ টেস্টের সিরিজে ১-৩ হেরেছিল। ২৫ জানুয়ারি হায়দরাবাদে প্রথম টেস্ট। অতীত ভোলাতে চাইছেন স্টোকসরা। গত বছর ঘরের মাঠে অ্যাসেজ সিরিজের পর এই প্রথম টেস্ট খেলবেন স্টোকসরা। রোহিত শর্মার টিম আবার বছরের শুরুতেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট ১-১ রেখে দেশে ফিরে সিরিজ খেলবে। লাল বলের তুমুল লড়াই দেখার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন ক্রিকেট প্রেমীরা।
তাই খেলার সময় কোন ধরণের অসুস্থতার শিকার যেন কেও না হয়, সেই কারণেই ভারত সফরেও রাঁধুনি নিয়ে আসছে তারা। এর আগে ভারত সফরে টিনের খাবার এনার্জি বার বা পিৎজ়ার উপর ভরসা রাখতে হত ইংলিশ ক্রিকেটারদের। সেখান থেকে টিমকে বের করে এনেছেন ওমর মেজিয়ান। পাকিস্তান সফরে তিনি টিমের রাঁধুনি ছিলেন। এ বারও তিনি ভারতে পা রাখবেন টিমের হয়ে। এই ওমরকে আবার ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের হেঁসেলেও দেখা যায়। তিনি প্লেয়ারদের জন্য লাঞ্চ বা ডিনারে তাঁদের মন মতো খাবারের জোগান দেবেন। এতেই শেষ নয়, ম্যাচ চলাকালীন কী খাবেন ইংলিশ ক্রিকেটাররা, তাও ঠিক করে দেবেন তিনি।
রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্য প্রতিটি পরিবারের নিকট বিদ্যুৎ পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া : রতন
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- জীবনে চলার পথে প্রতিটা ক্ষেত্রেই বিদ্যুৎ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাই উন্নততর দেশ গঠনেও বিদ্যুতের বিকল্প নেই। আজ ত্রিপুরা রাজ্য বিদ্যুৎ নিগম লিমিটেডের ২০তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতনলাল নাথ। উত্তর বনমালীপুরস্থিত কর্পোরেট অফিস প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি ও স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়। সকালে কর্পোরেট অফিস প্রাঙ্গণে পতাকা নেড়ে ও বেলুন উড়িয়ে র্যালির সূচনা করেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী। পরে দপ্তরের একটি বর্ণাঢ্য র্যালি শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতনলাল নাথ সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বর্তমান কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের উদ্দেশ্য হলো প্রতিটি পরিবারের নিকট বিদ্যুৎ পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া। আর এই কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। তিনি বলেন, নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করলে প্রচুর অর্থের সাশ্রয় হবে। যে পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস দিয়ে বর্তমানে রাজ্যে যতটুকু বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারে তা দ্বিগুণ করা সম্ভব। বিদ্যুৎ মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীর নিকট প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা নির্ভর শক্তি উৎপাদনের নির্ভরতা কমিয়ে পুনর্নবীকরণ যোগ্য শক্তির উপর মনোনিবেশ করার জন্য আহ্বান রেখেছেন। তাই আমাদেরও বিকল্প বিষয় নিয়ে চিন্তা ভাবনা করতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে রাজ্যবাসীর মাথাপিছু আয় বেড়ে ১ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ দপ্তরের সচিব অভিষেক সিং বলেন, ২০০৫ সালের আজকেরদিনে ত্রিপুরা রাজ্য বিদ্যুৎ নিগম লিমিটেডের যাত্রা শুরু হয়। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি পরিবারের নিকট বিদ্যুৎ পরিষেবা পৌঁছানোর দিশা নির্দেশনা দেওয়ার লক্ষ্যে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজ্যের বিদ্যুৎ সচিবদের নিয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রাজ্য বিদ্যুৎ নিগম লিমিটেডের অধিকর্তা (ফিনান্স) সর্বজিৎ ডোগরা। অনুষ্ঠান উপলক্ষে আয়োজিত স্বাস্থ্য শিবিরে ৯২ জনের চক্ষু পরীক্ষা করে বিনামূল্যে ঔষধ দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টিপিজিএল’র কারিগরি অধিকর্তা অনিল খান্না, ত্রিপুরা পাওয়ার ট্রান্সমিশন লিমিটেডের জিএম রঞ্জন দেববর্মা, জিএম (ফিনান্স) গৌতম মুখোপাধ্যায় প্রমুখ।
Older Posts
