জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-
এয়ারপোর্ট থানাধীন ঊষা বাজার এলাকা থেকে সন্দেহভাজন দুইজন বাংলাদেশী নাগরিক আটক করে পুলিশ এবং নিয়ে আসা হয় এয়ারপোর্ট থানায়।এই বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানার ওসি সুমন সিংহ জানান ঊষা বাজার এলাকা থেকে গতকাল সন্দেহভাজন ভাবে ঘোরাফেরা করার সময় দুই জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে পুলিশ যাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন মহিলা রয়েছে।একজনের নাম শেখ রানা বাংলাদেশের বরিশাল জেলার গাসালকান্দির বাসিন্দা, আরেকজন রাফাজা আক্তার গোপালগঞ্জ জেলার দক্ষিণ গঙ্গারামপুর এর বাসিন্দা।তারা অবৈধ ভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করে,তাদের কাছে প্রয়োজনীয় কোনো বৈধ কাগজ পত্র নেই।আজ তাদের আদালতে প্রেরণ করা হবে এবং আদালত যে রায় দেবে সে অনুযায়ী পরবর্তী ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।তবে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশ অব্যহত রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা দিয়ে এবং বিগত কয়েক দিনে প্রচুর সংখক বাংলাদেশী নাগরিক আটক হয় এই এয়ারপোর্ট থানা এলাকায়ও তা যদি বন্ধ না হয় আগামি দিনে বিশাল সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে বলে সচেতন মহলের দাবি।।
June 2023
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-
জল জীবন মিশনে খোয়াই জেলার গ্রামীণ এলাকায় গত ১ জুন পর্যন্ত ৪৪ হাজার ১১৭টি বাড়ীতে পানীয় জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে কল্যাণপুর ব্লকে ৬ হাজার ৮৯১টি, খোয়াই ব্লকে ৯ হাজার ৪৬১টি, মুঙ্গিয়াকামি ব্লকে ৪ হাজার ২৪২টি, পদ্মবিল ব্লকে ৭ হাজার ৫৫৩টি, তেলিয়ামুড়া ব্লকে ৮ হাজার ৭৬৮ টি এবং তুলাশিখর ব্লকে ৭ হাজার ২০২টি বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। পানীয় জল ও স্বাস্থ্য বিধান দপ্তরের কল্যাণপুর ডিভিশন কার্যালয় থেকে এই সংবাদ জানানো
হয়েছে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মধ্যশিক্ষা পরিচালিত ২০২৩ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা শেষ। চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে ফলাফল ঘোষণা করার। জুন মাসের ১০ তারিখের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানান ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি ড: ভবতোষ সাহা। ড: সাহা বলেন এবারের মাধ্যমিকের চেয়ে উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল বেশি।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- মৃত্যুদণ্ড নাকি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ? চাঞ্চল্যকর বোধিসত্ত্ব হত্যা মামলার রায় শোনা যাবে, শুক্রবার বেলা বারোটায়। হয়তো কিছুটা স্বস্তি মিলবে সন্তান হারা মায়ের। রাজধানীর চাঞ্চল্যকর বোধিসত্ত্ব হত্যা মামলার রায়ের জন্য অপেক্ষা করছেন সন্তানহারা অসহায় মা তিন বছরের মধ্যেই স্বামী এবং সন্তানকে হারিয়ে এখন অনাথবোধিসত্ত্ব দাসের মা রঞ্জনা দাস। ব্যাংক ম্যানেজার ছেলে বোধিসত্ত্বকে 2019 সালের ৩ আগস্ট রাতে। শহরের জেকশন গেটে নৃশংস ভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারা হয়। ১৯১৯ সালেই কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান ইউকো ব্যাংক ধর্মনগর ব্রাঞ্চের ম্যানেজার বোধিসত্ত্ব। এই খুনের ঘটনায় যে চারজন অভিযুক্তের নাম উঠে এসেছে একজন ছাড়া প্রত্যেকেই প্রভাবশালী ও নামিদামি ব্যক্তি। ৪ অভিযুক্তরা হল সুমিত চৌধুরী, কলেজ টিলা এলাকার ঠিকেদার সুমিত বণিক, ট্রাফিক পুলিশের প্রাক্তন ইন্সপেক্টর সুকান্ত বিশ্বাস এবং শোয়েব মিয়া। এই মামলার স্পেশাল পিপি সম্রাট কর ভৌমিক জানান, বৃহস্পতিবার অভিযুক্তরা ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২৩৪ ধারায় খুন এবং সঙ্ঘবদ্ধভাবে খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছে বলে রায় দিয়েছে আদালত। শনিবার বেলা বারোটায় আদালত মামলার সাজা ঘোষণা করবেন। স্পেশাল পিপি সম্রাট ভৌমিক আরও জানান, এই মামলায় তিনজন পুলিশ আধিকারিক তদন্তক্রমে তিন মাসের মধ্যেই চার্জশিট দাখিল করেছিল। কিন্তু সাক্ষীদের মধ্যে প্রধান দুই সাক্ষী আদালতে কিছুই দেখে নেই শুনেনি বলে মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ার জন্য বেশ কিছুদিন মামলাটি গড়িয়েছে। শেষ পর্যন্ত ৫৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য বাক্য গ্রহণের পর আদালত এই রায় ঘোষণা করেছে। স্পেশাল পিপি জানান, এর মধ্যে দুইজন সাক্ষী আদালতকে মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধেও মামলা গ্রহণ করেছে। শনিবার সাজা ঘোষণা দেওয়ার পর হয়তো আদালত মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। প্রসঙ্গত প্রভাবশালী কোটিপতি আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে ছাওয়াল শুরুর আগে থেকেই লক্ষ লক্ষ টাকা উঠতে থাকে। এই মামলার লড়াই করা দুই আইনজীবী মৃণাল কান্তি বিশ্বাস এবং কৃষ্ণেন্দু দের বিরুদ্ধে পশ্চিম থানা মামলা হয়। সাক্ষীদের প্রভাবিত করার অভিযোগে এই মামলায় দুই আইনজীবী 22 মার্চ আদালত থেকে জামিনু নেয়। উল্টো দিকে স্পেশাল পিপি সম্রাট কর ভৌমিক সহ তার জুনিয়রদের বিরুদ্ধেও আদালত অবমাননার মামলার নোটিশ দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত মামলা গিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টেও। এক দফা ৪ কোটিপতি অভিযুক্ত জামিনও পেয়ে গিয়েছিলেন। এরপর উচ্চ আদালতে সরকার পক্ষ চারজনের জামিন বাতিল চেয়ে আবেদন করে। উচ্চ আদালত চারজনেরই জামিন বাতিল করে দেয়। তারপর সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশেই জেলা দায়রা আদালতে বিচার প্রক্রিয়া চলতে থাকে। শনিবার হবে মামলার সমাপ্ত।
ভারতীয় মুসলিমদের ‘বহিরাগত’ বলে মনে করে না সঙ্ঘ এখন কোনও বহিরাগত নেই বললেন মোহন ভাগবত
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :-
শুধু একতরফা উদ্যোগে দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ সৃষ্টি হবে না। হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের আবহ গড়ে তুলতে হলে সক্রিয় হতে হবে উভয় পক্ষকেই। আর সে ক্ষেত্রে নিজেদের ‘জাতীয় পরিচয়কে’ সামনে রেখে এগোতে হবে বলে জানালেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস)-এর প্রধান মোহন ভাগবত। মহারাষ্ট্রের নাগপুরে সঙ্ঘের সদর দফতরে আয়োজিত প্রশিক্ষণ পর্বের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে ভাগবতের দাবি, ‘‘অতীতের কিছু উদাহরণ আর অহংবোধই হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের পথে বড় বাধা।’’গত বছর দশমীর দিনে সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাদিবস উপলক্ষে আয়োজিত সভায় ভাগবত বলেছিলেন, ‘‘হিন্দুরা সংগঠিত হচ্ছে বলে ভারতের ‘তথাকথিত সংখ্যালঘু’-দের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই— সঙ্ঘের থেকে অতীতেও মুসলমানদের কোনও বিপদ হয়নি, ভবিষ্যতেও হবে না।’’ কিন্তু সেই আশ্বাসবাণীর পাশাপাশি ওই বক্তৃতাতেই ভাগবত জনসংখ্যা নীতির কথা বলেছিলেন।জানিয়েছিলেন, সেই নীতি সব সম্প্রদায়ের জন্য সমান ভাবে প্রযুক্ত হওয়া প্রয়োজন, যাতে ভারতের জনসংখ্যায় বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অনুপাত অপরিবর্তিত থাকে। না হলে, তা দেশের অখণ্ডতার পক্ষে ক্ষতিকারক হতে পারে।সেই ‘ক্ষতির’ উদাহরণ দিতে গিয়ে ভারতভাগ থেকে শুরু করে পূর্ব টিমোর, দক্ষিণ সুদান, কসোভোর মতো ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের উদাহরণও দিয়েছিলেন তিনি। ভাগবতের ওই বক্তৃতার পরেই অভিযোগ উঠেছিল, ‘মুসলমানদের জনসংখ্যা বেড়ে চলেছে, এবং তা অখণ্ড ভারতের পক্ষে বিপজ্জনক’ বলে বার্তা দিতে চেয়েছিলেন তিনি।শুক্রবারের বক্তৃতায় অবশ্য ভাগবতের দাবি, মুসলিমরা বহু বছর ধরে ভারতে নিরাপদেই রয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘‘ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে দুই জনগোষ্ঠীর মধ্যে অবিশ্বাসের বাতাবরণ দূর হতে পারে।’’ সেই সঙ্গে তাঁর ইঙ্গিত, ভারতীয় মুসলিমদের ‘বহিরাগত’ বলে মনে করে না সঙ্ঘ। ভাগবতের কথায়, ‘‘বহিরাগতেরা এসেছিলেন। আমরা তাঁদের বিরুদ্ধে লড়েছি। এখন কোনও বহিরাগত নেই। যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা সকলেই অন্দরের মানুষ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- তিপরা মথায় নতুন করে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করার উপর জোর দিয়েছে প্রদ্যুৎ কিশোর দেব বর্মন। এক বার্তায় প্রদ্যুৎ কিশোর দলের সমস্ত বিধায়ক, ইএম, এমডিসি, ব্লক, জেলা, জোনাল এবং সাব-জোনাল নেতা সহ সমস্ত দলীয় যোদ্ধা এবং নেতাদের বার্তা দিয়ে বলেন, দলে নতুন শক্তি আনার সময় এখনি! এছাড়াও একই বার্তা দিয়েছে ওয়াইটিএফ, টি ডব্লিউ এফ, টি সি এফ এবং টি আই এস এফ যোদ্ধাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বলে উল্লেখ করেছে প্রদ্যুৎ কিশোর !আরওএকধাপ এগিয়ে প্রদ্যুৎ বলেন “আপনাদের আন্দোলন আমাদের জনগণের জন্য”….এটা নিয়ে কোন আপস নয়।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- গ্রাম পাহাড় নয় পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে খুদ আগরতলা পুর নিগম এলাকায়। পুর নিগমের ১১,-১২ ও ১৩ নং ওয়ার্ডে পানীয় জল সরবরাহে তালবাহানা শুরু হয়েছে। আগে যেখানে সকালবেলা দেড় ঘন্টার উপরে জল সরবরাহ করত, সেখানে বর্তমানে এক ঘন্টাও ঠিক করে জল আসে না। তাও জলের স্পিড একেবারেই কম। বিকালবেলা প্রায়ই জল সরবরাহ বন্ধ থাকছে। এ নিয়ে তীব্র খুব প্রকাশ করেছে সারা ভারত গণতান্ত্রিক নারী সমিতি ভাটি অভয়নগর অঞ্চল কমিটি। তাদের অভিযোগ পরিশ্রুত পানীয় জল সরবরাহ করা হচ্ছেনা নিগম এলাকায়। প্রায়ই জলের মধ্যে শেওলা ভাসতে দেখা যায়।কোনও কোন সময় একেবারেই নোংরা জল ফাইভের নল দিয়ে আসছে। যা মানুষ ব্যবহারের অউপযোগী। এ নিয়ে শুক্রবার এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার ডি দাসগুপ্তের কাছে ডেপুটেশন প্রদান করেছেন নারী সমিতি।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে নিজের ঘরেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে ৫৪ বছর বয়সি শংকর মজুমদার নামে এক ব্যক্তি। ঘটনা বিলোনিয়া থানাধীন দক্ষিণ সোনাইছড়ি এলাকায়। পেশায় মোটর শ্রমিক শংকর মজুমদার শুক্রবার সাত সকালে নিজের ঘরেই বিদ্যুৎ ঠিক করতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ বলে জানা যায়। সঙ্গে সঙ্গেই বাড়ির লোকজন বিলোনিয়া হাসপাতালে নিয়ে যায় তাকে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দেখেই তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। এ নিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তার জন্য মৃত দেহটি পোস্টমর্টেম করার পর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।ঘটনায় গভীর সুখের ছায়া নেমে এসেছে পরিবার পরিজনদের মধ্যে।
