জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- এসপিওদের বেতন বৃদ্ধি, টি আই টি তে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর নিয়োগ ও দিব্যাঙ্গ ছাত্র-ছাত্রীদের এককালীন আর্থিক সাহায্য প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা। জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। এসপিওদের বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে প্রায় এক হাজার টাকা। বর্তমানে রাজ্যে কর্মরত এসপিওদের রয়েছে 6 হাজার156 টাকা | নতুন বেতন বৃদ্ধির ফলে তাদের বেতন হবে 7079 টাকা। অপরদিকে এসপিও ড্রাইভারদের নতুন বেতন হয়েছে 9 হাজার টাকা। মোট 266 জন ড্রাইভার এই নতুন বেতন পাবে। সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। এদিকে নড়সিংগড়স্থিত টি আই টি তে অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার নিয়োগ করা হবে 6 জন। টি পি এস সির মাধ্যমে তাদেরকে নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। অপরদিকে দিব্যাঙ্গ ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনা উৎসাহিত করতে রাজ্য সরকার এককালীন আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছে। তাদের মধ্যে মাধ্যমিকে যারা প্রথম স্থান অধিকার করবে এরকম 5 জনকে 24হাজার টাকা এবং উচ্চমাধ্যমিকে পাঁচজনকে 54 হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। মহাকরণে আয়োজিত এ দিনের সাংবাদিক বৈঠকে মন্ত্রী জানান , সামনের দিকে রাজ্যবাসীর জন্য আরও সুখবর নিয়ে আসছে সরকার। খুব শীঘ্রই তা জানতে পারবে রাজ্যের জনতা।
September 2022
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:-
রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী কবি প্রয়াত অনিল সরকারের জন্মবার্ষিকী এবছর নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপন করলো ত্রিপুরা তপশিলি জাতি সমন্বয় সমিতি। কেন্দ্রীয়ভাবে আগরতলা সিটি সেন্টারের সামনে সকালে অনিল সরকারের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান সংগঠনের নেতৃত্ব। বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা চক্র। বৃহস্পতিবার প্রয়াত অনিল সরকারের জন্মবার্ষিকীতে মূল অনুষ্ঠানটি হয় আগরতলা সিটি সেন্টারের সামনে। সেখানে প্রয়াত অনিল সরকারের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন সংগঠনের রাজ্য সভাপতি বিধায়ক রতন ভৌমিক সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এদিন বিধায়ক শ্রী ভৌমিক বলেন এখনো দেশের দলিতরা নানা দিক দিয়ে নির্যাতিত, লাঞ্ছিত ও বঞ্চিত। এমন পরিস্থিতিতে অনিল সরকার এখনো প্রাসঙ্গিক। রাজ্যের দলিত শ্রমজীবী অংশের মানুষকে সংঘটিত করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। তেমনি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড প্রসারিত করার ক্ষেত্রেও অন্যতম ভূমিকা নিয়েছিলেন প্রয়াত অনিল সরকার। এই অবস্থায় গত সাড়ে চার বছরে রাজ্যে এক অস্থির পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। দলিত অংশের মানুষ যে অধিকার অর্জন করেছিল তা কেড়ে নেবার চেষ্টা চলছে।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:-
রাজ্যের স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের স্বার্থে আবারও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিলেন প্রদেশ এন এস ইউ আই সভাপতি সম্রাট রায়। সভ্যপদের নাম করে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে চলছে অর্থ আদায়। এমনিতেই স্কুল-কলেজ গুলিতে এক চরম অরাজকতা চলছে। এই অবস্থায় এখন অর্থ আদায়কে ঘিরে ছাত্র-ছাত্রীদের মনে অস্থিরতা যেন আরো বাড়ছে। বৃহস্পতিবার আগরতলায় কংগ্রেস ভবনে প্রদেশ এন এস ইউ আই এর ডাকা এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন সংগঠনের রাজ্য সভাপতি সম্রাট রায়। সাংবাদিক সম্মেলনে ছাত্রনেতা শ্রী রায় এদিন অভিযোগ করে বলেন, রাজ্যের সবকটি কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শাসকদলের ছাত্র সংগঠন অনেকটা জোর জবরদস্তি ভাবে সভ্যপদের নাম করে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছে।। এর তীব্র প্রতিবাদ করে এনএস ইউআই। অবিলম্বে এই অর্থ আদায় বন্ধ করতে হবে। নতুবা সংগঠন ছাত্র-ছাত্রীদের স্বার্থে সারা রাজ্যজুড়ে আন্দোলন সংঘটিত করবে। প্রয়োজনে ঘেরাও করা হবে শিক্ষামন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন।
রাজ্যের সেলুন কর্মীরা ভালো নেই খুবই খারাপ অবস্থার মধ্য দিয়ে চলছে তারা : মানিক
সেলুন কর্মীদের রাজ্য সম্মেলন
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি।
ত্রিপুরা রাজ্য ক্ষৌর কর্মী ইউনিয়নের সপ্তম রাজ্য সম্মেলন বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হলো আগরতলায় সি আই টি ইউ রাজ্য কার্যালয়ে। এই রাজ্যভিত্তিক সম্মেলনে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেয়। সম্মেলনে রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি এবং সংগঠনের বর্তমান অবস্থা নিয়ে আলোচনা করেন নেতৃত্ব। দীর্ঘ আলোচনার শেষে সেলুন কর্মীদের বেশ কিছু দাবি-দাওয়া নিয়ে আগামী দিন আন্দোলন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং সংগঠনের কাজকর্ম পরিচালনার জন্য গঠিত হয় নতুন রাজ্য কমিটি। গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মেলনে এদিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার। প্রতিনিধি সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা বলেন রাজ্যের সেলুন কর্মীরা ভালো নেই। খুবই খারাপ অবস্থার মধ্য দিয়ে চলছে তারা। এই পরিস্থিতিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকার প্রশ্নে আলোচনাক্রমে পারিশ্রমিক বৃদ্ধি হওয়া দরকার। সেলুন কর্মীদেরও ইচ্ছে হয় তাদের ছেলে মেয়েরা ভালো করে পড়াশোনা করুক। কিন্তু ইচ্ছা চাইলেই তো হবে না, তার জন্য দরকার অর্থের।
ডাকাতি রোধে থানায় ডেপুটেশন দিল জনতা প্রশ্ন তুলেছে পুলিশের নীরব ভূমিকা নিয়ে
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- চুরি ডাকাতি ছিনতাই রাহাজানির মত ঘটনাগুলি রোধে থানায় ডেপুটেশন দিল সামাজিক সংস্থা। প্রশ্ন তুলেছে পুলিশের কর্তব্য নিষ্ঠা নিয়ে।
সম্প্রতি শহরে চুরি ডাকাতি ছিনতাই রাহাজানির মত ঘটনাগুলি উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। ভয়ে আতঙ্কিত শহর এলাকার লোকজন। বেশ কিছু এলাকায় সঙ্ঘবদ্ধ এলাকাবাসী রাত জেগে পাহাড়া দিচ্ছে। অথচ পুলিশ প্রশাসন সবকিছু জেনেশুনেও নিরব ভূমিকা গ্রহণ করে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে অসহায় সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলছে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে। পুলিশ সক্রিয় থাকলে সাধারণ মানুষের রাত জেগে পাহাড়া দিতে হতো না। পুলিশের এই নিষ্ক্রিয় ভূমিকার কৈফিয়ৎ চাইতে থানায় এল সামাজিক সংস্থার প্রতিনিধিরা। বৃহস্পতিবার আড়ালিয়া ,মধ্য যোগেন্দ্র নগর, দত্তপাড়া এলাকার মানুষ সম্মিলিতভাবে সামাজিক সংস্থার সঙ্গে কলেজ টিলা টাউন ফাঁড়ির ওসিকে ডেপুটেশন প্রদান করেছে।ডেপুটেশনের নেতৃত্বে ছিলেন সবুজ সামাজিক সংস্থার সম্পাদক প্রবীর শর্মা।
এদিন ডেপুটেশন কালে কলেজ টিলা টাউন ফাঁড়ি থানার ওসি অতি দ্রুত এলাকায় পুলিশি টহলের ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন। এদিকে সামাজিক সংস্থার তরফে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে , অবিলম্বে যদি পুলিশ প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ না করে তাহলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলন সংগঠিত করবে সংস্থা।
আড়ালিয়া খয়ের পুর প্রভৃতি এলাকায় পরপর দুটি বড় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া প্রতিনিয়ত ছিচকে চুরির মত ঘটনাগুলো সংঘটিত হচ্ছে। এ নিয়ে গভীর উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ। তবে পুলিশ যদি তার নিজ দায়িত্ব পালন করে তবেই সাধারণ মানুষ নিশ্চিন্তে রাত্রি যাপন করতে পারবে।
