জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- গোমতি জেলার করবুক মহকুমার অন্তর্গত শিলাছড়ী থানার Officer in Charge- র কর্তব্য গাফিলতির কারণে গত ২৪ ও ২৫ শে এপ্রিল ২০২২ ইং তারিখে দুই জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয় । উভয়েই স্বশাসিত জেলা পরিষদ এলাকার জনজাতি সম্প্রদায়ের এবং একজন নাবালিকা । মৃতরা হলো- কাঞ্চনমালা চাকমা বয়স ১৭ বছর পিতা – শ্রীসুরতি রঞ্জন চাকমা ঠিকানা- বুদ্ধজয় পাড়া থানা – রইশ্যাবাড়ী গন্ডাছড়া ধলাই ত্রিপুরা এবং আনন্দ চাকমা পিতা – রাঙাদারী চাকমা ঠিকানা – বিলাশ চন্দ্ৰ পাড়া কাপতলি থানা – শিলাছড়ি , করবুক গোমতি ত্রিপুরা । উক্ত ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে শুক্রবার সারা ত্রিপুরায় চাকমা অধ্যুষিত প্রতিটি অঞ্চলে উক্ত ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত ক্রমে দোষীদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি প্রদান সহ ৪ দফা দাবী সনদ নিয়ে ত্রিপুরা রাজ্য চাকমা সামাজিক পরিষদ ‘ – র উদ্যোগে একই দিনে চাকমা অধ্যুষিত এলাকার প্রত্যেক বি ডি ও এবং এস ডি এম মহোদয়দের মারফৎ ত্রিপুরার মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে অভিন্ন বয়ানে স্মারকলিপি প্রদান করা হয় এবং বিক্ষোভ মিছিল করা হয় । যে সমস্ত জায়গায় বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করা হয় সেগুলি হল- উত্তর ত্রিপুরা জেলায় কাঞ্চনপুর , ঊনকোটি জেলায় পেচারথল , ধলাই জেলায় লংতরাইভ্যালী ও গন্ডাছড়া , গোমতি জেলায় করবুক , দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলায় শান্তির বাজার এবং পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার আগরতলায়। এদিন সংবাদ মাধ্যমের মুখুমুখি হয়ে ত্রিপুরা রেজ্য চাকমা সামাজিক পরিষদের ত্রিপুরা সম্পাদক শান্তি বিকাশ চাকমা , ঘটনার সাথে জড়িত দোষীদের কঠোর শাস্তি প্রদানের পাশাপাশি , ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে আর্থিক অনুদান ২০ লক্ষ টাকা প্রদান এবং যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি চাকরি প্রদানের দাবি রাখা হয় বলে জানান তিনি।
Monthly Archives
April 2022
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর
written by janatar kalam
জনতার কলম প্রতিনিধি:- ভারত এবং বাংলাদেশ দুদেশের মধ্যে সংযোগ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার তারা জানিয়েছেন, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলি চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করতে পারবে।এদিন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে কথোপকথনে হাসিনা বলেন, “কানেকটিভিটি বাড়ানো হলে ভারতের উত্তর-পূর্বের আসাম ও ত্রিপুরার মত রাজ্যগুলি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে প্রবেশ করতে পারবে।” কেননা এর আগে ২০১০ সালে ভারত ও বাংলাদেশ একটি মৌ স্বাক্ষর করে। এর মাধ্যমে ভারত থেকে পণ্য পরিবহনের জন্য বাংলাদেশের চট্টগ্রাম এবং মোংলা বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। ২০১৮ সালে, বাংলাদেশ মন্ত্রিসভা প্রস্তাবিত চুক্তিটি অনুমোদন করে। জয়শঙ্কর বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তাছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে এই বন্দর অবস্থিত। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় এই বন্দরের সাহায্যে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে উল্লেখযোগ্যভাবে অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
জনতার কলম প্রতিনিধি:- করোনার দরুন স্বস্তির চিহ্ন নেই দেশে বরং উদ্বেগ বাড়াচ্ছে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। এরই ,মধ্যে দৈনিক সংক্রমণ প্রায় সাড়ে তিন হাজারের কাছাকাছি। গত কয়েকদিনে ধীরে ধীরে শীর্ষে উঠছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। প্রথমে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা হাজারে নেমে গেলেও, সেখান থেকে ফের দু’হাজারের ঘর পার করে এখন সাড়ে তিন হাজার চলছে একদিনের সংক্রমণ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মে-জুনে আক্রান্তের সংখ্যা শীর্ষে উঠতে কোভিড সংক্রমণ। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৩ হাজার ৩৭৭ জন নতুন করে কোভিড আক্রান্ত হয়েছে। দেশে বর্তমানে মোট সক্রিয় সংক্রমণের সংখ্যা ১৭ হাজার ৮০১। এই ৩ হাজার ৩৭৭ টি নতুন আক্রান্তের মধ্যে, দিল্লি ২৪ ঘন্টায় সর্বাধিক সংখ্যক আক্রান্তের সংখ্যাও রয়েছে।গত ২৪ ঘন্টায় মোট ২ হাজার ৪৯৬ জন কোভিড মুক্ত হয়েছে দেশে। এখনও পর্যন্ত ভারতে করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৪ কোটি ২৫ লক্ষ ৩০ হাজার ৬২২ জন। দৈনিক পজিটিভিটি রেট ০.৭১ শতাংশ এবং সাপ্তাহিক পজিটিভিটি রেট ০.৬৩ শতাংশ-এ দাঁড়িয়েছে।
রাজ্যে উন্মোচিত নয়া দিগন্তে, যুবরা নিজেই আত্মনির্ভর হওয়ার পাশাপাশি অন্যেরও কাজের সুযোগ তৈরী করছেন – মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- শুক্রবার রাজধানী আগরতলার মাতঙ্গিনী প্রীতিলতা অডিটোরিয়ামে আগরতলার মহিলা কলেজের ছাত্র, অধ্যাপক, অনুষদ এবং অন্যান্য স্টাফ সদস্যদের সাথে একটি ইন্টারঅ্যাকশন প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন প্রশাসনিক সহ বিভিন্ন শীর্ষ পদে রাজ্যের মেয়েদের অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি কাঙ্খিত। মহিলাদের আক্ষরিক ক্ষমতায়ন, সামাজিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে অংশীদারিত্ব সহ রোজগার সৃজন আমাদের অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র এবং পারিবারিক সূত্রে প্রাথমিকস্তরে রপ্ত শিক্ষা ও সংস্কৃতি শিক্ষাঙ্গণের মসৃনতায় পূর্ণতা লাভ করে l সুপ্ত প্রতিভা চিহ্নিতকরণ দ্বারা, নিজস্বতার পথে অর্জিত দক্ষতা ও লক্ষ্য প্রাপ্তির পথে দৃঢ়তা, সাফল্য প্রাপ্তির দিশায় গতি সঞ্চার করে l চাকুরী অনুসন্ধানী মানসিকতার উর্দ্ধে উঠে, বর্তমানে রাজ্যে উন্মোচিত নয়া দিগন্তে ও উদ্ভাবনী ভাবনায়, যুবরা নিজেই আত্মনির্ভর হওয়ার পাশাপাশি অন্যেরও কাজের সুযোগ তৈরী করছেন l
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- শুক্রবার প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বিরজিৎ সিনহা, তাছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক সারিতা লাইফ্রাং সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এদিন তিনি বলেন সরকার যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তা একটিও রক্ষা করেনি। শুধু দুর্নীতি আর হামলা হুজুতির মধ্যে নিমজ্জিত সরকার। তাই আন্দোলনে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। কেন্দ্র সরকারের পলিসি রাজ্যে বিজেপি সরকার গ্রহন করে চলেছে। ভারতের ২২ টি ভাষা অষ্টম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত। হিন্দি ভাষা কি সরকারি ভাষা হিসেবে সরকার ঘোষণা করেছে। তবে সেসব ভাষাগুলি দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এখন হিন্দি ভাষা ত্রিপুরা রাজ্যের চাপিয়ে দেওয়ার জন্য একটা জোর প্রচেষ্টা চলছে। এতে করে বাংলা এবং ককবরক ভাষাকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের এ ধরনের প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানায় প্রদেশ কংগ্রেস এবং দাবি জানানো হচ্ছে অফিস-আদালতে যেভাবে বাংলা, ককবরক ভাষার গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সেভাবে আগামী দিনেও গুরুত্ব দিতে হবে। কারন এ ধরনের চক্রান্ত ত্রিপুরা রাজ্যে মানুষ মেনে নেবে না বলে জানান তিনি।
বিদ্যাজ্যোতি প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী দিনে শিক্ষা ক্ষেত্রে আমাদের রাজ্যে নতুন বিপ্লব নিয়ে আসবে- সুশান্ত
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি:- শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজ্য সরকার রাজ্যের ১০০ টি স্কুলকে চিহ্নিত করে “বিদ্যাজ্যোতি প্রকল্প মিশন-১০০”-এর অধীনে এনে সিবিএসই-তে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। তারই অঙ্গ হিসাবে শুক্রবার মজলিশপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত জিরানীয়ার বীরেন্দ্র নগর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিদ্যাজ্যোতি প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক শুভ সূচনা করেন রাজ্যের তথ্য সংস্কৃতি মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। এদিন মন্ত্রী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন বিদ্যাজ্যোতি প্রকল্পের মাধ্যমে নতুন পরিকাঠামোয় যেভাবে পঠনপাঠন শুরু হতে যাচ্ছে তা আগামী দিনে শিক্ষা ক্ষেত্রে আমাদের রাজ্যে নতুন বিপ্লব নিয়ে আসবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজি’র “সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস”-এর সঙ্গে সবকা প্রয়াস-এর লক্ষ্যে দৃঢ় সঙ্কল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে ‘বিদ্যজ্যোতি প্রকল্প মিশন-১০০’ একটি উপযুক্ত মঞ্চ হয়ে উঠতে চলেছে।বিদ্যাজ্যোতি প্রকল্প আমাদের রাজ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে অসাম্য দূর করতে এবং শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বিদ্যাজ্যোতি প্রকল্প শিক্ষাক্ষেত্রে পাঠ্যক্রম, শিক্ষাদান, শিক্ষা ব্যবস্থার মূল্যায়ন, পরিকাঠামো প্রভৃতি ক্ষেত্রে মৌলিক বিজ্ঞান-ভিত্তিক কাঠামোগত ঘাটতিগুলি দূর করতে সাহায্য করবে। আমাদের রাজ্যের শিক্ষক-শিক্ষিকারা কেবল নিজেদের শিক্ষকতার পেশাকে তাঁদের কর্তব্য হিসেবেই মনে করেন না, বরং তাঁরা শিক্ষকতাকে মনুষ্য সহানুভূতির একটি নৈতিক দায়িত্ব হিসেবেও গণ্য করেন। আর এ কারণেই শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে কেবল পেশাগত সম্পর্কই নয়, বরং পারিবারিক সম্পর্কও গড়ে ওঠে। এই সম্পর্ক সারা জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত বজায় থাকে। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে ক্রমপরিবর্তনশীল এই সময়ে আমাদের শিক্ষকদেরকেও নতুন নতুন ব্যবস্থা ও কারিগরি দিকগুলি সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলার ক্ষেত্রেও শিক্ষকদের অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা অনুপ্রাণিত হবে এবং অনেক মেধাবী পড়ুয়া নিকট ভবিষ্যতে ক্রীড়াক্ষেত্রকে তাদের কর্মজীবন হিসেবে বেছে নিতে উৎসাহিত হবে।
আজকের এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জিরানীয়া মহকুমার মহকুমা শাসক জীবন কৃষ্ণ আচার্য্য,খুমলুং ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ প্রণবজিৎ বর্ধন,জিরানীয়া নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারপার্সন রতন দাস,জিরানীয়া ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক উৎপল চাকমা, জিরানীয়া পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস-চেয়ারপার্সন প্রীতম দেবনাথ, বিশিষ্ট সমাজসেবী গৌরাঙ্গ ভৌমিক, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শংকর সাহা, বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ,অভিভাবকগণ সহ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেস 29 এপ্রিল ত্রিপুরার জন্য একটি 132 সদস্যের রাজ্য কমিটি ঘোষণা করেছে, যা 2023 সালের মার্চ মাসে নির্বাচনের জন্য যাওয়ার কথা। বাংলার প্রাক্তন বিধায়ক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরার রাজ্য ইনচার্জ হিসাবে অব্যাহত থাকবেন, সুবল ভৌমিককে রাজ্য সভাপতি হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে। এদিকে ছয় সদস্যের কোর কমিটিতে রয়েছেন সুস্মিতা দেব, আশীষ দাস, ভৃগুরাম রেয়াং, আশীষ লাল সিং, মামন খান এবং ভৌমিক নিজে। রাজ্যের মহিলা-কেন্দ্রিক সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য, কমিটিতে 27 জন মহিলা সদস্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস, যা সর্বদা অনগ্রসর শ্রেণীর উন্নয়নের জন্য কাজ করেছে, রাজ্য কমিটিতে 16 তফসিলি জাতি সদস্য, 18 জন তফসিলি উপজাতি এবং 32 জন ওবিসি গোষ্ঠীর প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করেছে। ত্রিপুরার জন্য তৃণমূলের নবগঠিত কমিটিতে মুসলিম সম্প্রদায়ের 14 জন প্রতিনিধিও রয়েছে। উল্লিখিত কোর কমিটির সদস্যদের ছাড়াও, সমস্ত ফ্রন্টাল রাজ্য সভাপতি কোর কমিটির পদাধিকারবলে সদস্য হিসাবে কাজ করবেন। 132 সদস্যের রাজ্য কমিটিতে 8 জন সহ-সভাপতি, 5 জন সাধারণ সম্পাদক, 14 জন সচিব, 7 জন যুগ্ম সম্পাদক এবং 72 জন কার্যনির্বাহী সদস্য রয়েছেন। এছাড়াও শুক্রবার ঘোষণা করা হয়েছিল তৃণমূল যুব কংগ্রেস গঠনের, যার নেতৃত্বে TMYC রাজ্য সভাপতি সান্তনু সাহা। এদিকে মহিলা সংস্থার নেতৃত্বে রয়েছেন রাজ্য সভাপতি মহিলা পান্না দেব, এছাড়াও সঞ্জয় কুমার দাস এবং মালিন জামাতিয়ার নেতৃত্বে যথাক্রমে ত্রিপুরা এসসি সেল এবং এসটি সেল ঘোষণা করেছে৷
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার সহ আট সিপিএম নেতা আজ পুরনো মামলায় আদালতে হাজির হলেন৷ 2020 সালের আগস্ট মাসে আগরতলায় কৃষক সভার একটি অনুষ্ঠান ছিল। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, প্রাক্তন মন্ত্রী মানিক দে, প্রাক্তন সাংসদ শঙ্কর প্রসাদ দত্ত, মধুসূদন দাস, প্রাক্তন মন্ত্রী বাদল চৌধুরী এবং অন্যান্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেয় 144 ধারা লঙ্ঘনের জন্য। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীসহ অন্যান্য নেতারা মামলায় বিভিন্ন তারিখে আদালতে হাজির হন। শুক্রবার তারা আদালতে হাজিরা দিতে আসেন। তাদের আইনজীবী হরিবল দেবনাথ জানান, তিনি আদালতে আবেদন করায় মামলাটি টিকেনি। তাই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। আজ শুনানির দিন। আদালতে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলীয় নেতা মানিক সরকার, বাদল চৌধুরী শংকর প্রসাদ দত্ত প্রমুখ। শুনানি শেষে আইনজীবী বলেন, অভিযোগ গঠন করা হবে কি হবে না সে বিষয়ে আগামী তারিখে সিদ্ধান্ত দেবেন আদালত। এর প্রতিক্রিয়ায়, প্রাক্তন মন্ত্রী এবং CITU রাজ্য কমিটির চেয়ারম্যান মানিক সরকার অভিযোগ করেন যে সরকার তাকে হয়রানি করছে। সাবেক সাংসদ শঙ্কর প্রসাদ দত্তের বিরুদ্ধে মিথ্যা উদ্দেশ্য নিয়ে হয়রানির অভিযোগে একের পর এক মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায় শিক্ষার সম্প্রসারণ ও গুনগত শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকার অগ্রাধিকার দিয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ-রাজ্যে গুণগত শিক্ষার মান উন্নয়নে ১২৫ টি বিদ্যালয়কে মিশন বিদ্যাজ্যোতি প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায় শিক্ষার সম্প্রসারণ ও গুনগত শিক্ষার মান উন্নয়নে সরকার অগ্রাধিকার দিয়েছে। আজ কাঞ্চনপুর মহকুমার দশদা ব্লকের বড়ছড়াতে ১০০ আসনবিশিষ্ট নবনির্মিত ছাত্রাবাসের দ্বারোদঘাটন করে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব একথা বলেন । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক প্রেম কুমার রিয়াৎ , এমডিসি শৈলেন্দ্র নাথ , জনজাতি কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা ড . বিশাল কুমার , উত্তর ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক নাগেশ কুমার বি , জেলার পুলিশ সুপার ড . কিরণ কুমার কে , জেলার কল্যাণ আধিকারিক হেমস্ত দেববর্মা , কাঞ্চনপুর মহকুমার মহকুমা শাসক সুভাষ আচার্য দশদা বিএসি চেয়ারম্যান জিরেন্দ্র রিয়াং প্রমুখ । বড়ছড়াতে ছাত্রাবাসের দ্বারোদঘাটন উপলক্ষে বড়ছড়া হাইস্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব বলেন মিজোরাম থেকে আসা ব্লু অভিবাসী পরিবারগুলি দীর্ঘ ২৩ বছর যাবৎ কাঞ্চনপুরে বসবাস করছিলেন । পূর্বের সরকার তাদের সমস্যার সমাধান করেনি । কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে ব্লু অভিভাসীদের স্থায়ী পুনর্বাসন দেওয়া হচ্ছে । অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন , প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশের প্রতিটি গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে পরিসুত পানীয়জল পৌঁছে দেওয়ার জন্য জল জীবন মিশন সূচনা করেছেন । রাজ্যে জল জীবন মিশনে এখন পর্যন্ত ৫০ শতাংশের বেশী পরিবারে পাইপলাইনের মাধ্যমে পরিসুত পানীয়জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে । রাজ্যের এডিসিভুক্ত জনপদগুলিকে জাতীয় সড়কের সাথে যুক্ত করার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে । এটি একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ । অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন , আত্মনির্ভর ত্রিপুরা গড়তে হলে দশদা কাঞ্চনপুরেরও সার্বিক বিকাশ ঘটাতে হবে । তিনি আরও বলেন , প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রচেষ্টায় রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ( গ্রামীণ ) ২ লক্ষ ২৮ হাজার পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে কোভিড অতিমারীর সময়েও প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টায় রাজ্যে বিনামুল্যে রেশনিং খাদ্যসামগ্রী সহ কোভিড টিকাকরণ প্রদান করা হয়েছে । অনুষ্ঠানে বিধায়ক প্রেম কুমার রিয়াং বলেন , রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকায় পিছিয়েপড়া জনজাতি অংশের ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে হোস্টেল নির্মাণ করা হচ্ছে । শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড । শিক্ষা ছাড়া জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয় । উল্লেখ্য , এই নবনির্মিত ছাত্রাবাসের নির্মাণে বায় হয়েছে ২ কোটি ৫৪ লক্ষ ৬৪ হাজার ৭৮৯ টাকা অনুষ্ঠানের পরে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব দশদা ব্লকের অন্তর্গত আনন্দবাজারস্থিত রতনমুনি আশ্রম পরিদর্শন করেন । সেখানে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব বলেন , রাজ্য সরকার প্রধানমন্ত্রীর মার্গ দর্শনে রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করছে । কিন্তু তার আগে দীর্ঘ সময়কাল রাজ্যের সর্বাঙ্গীন বিকাশে ঠিকভাবে কাজ হয়নি । কেন্দ্রীয় ও রাজ্য বিভিন্ন প্রকল্প তথা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা , উজ্জ্বলা যোজনা , প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ অন্ন যোজনা , জল জীবন ও অটল জলধারা মিশনের মাধ্যমে রাজ্যের নাগরিকদের অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে । তিনি আরও বলেন , বর্তমান সরকার মহিলাদের সশক্তিকরণের প্রয়াস নিয়েছে । রতনমুনি আশ্রম পরিদর্শনের সময় মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক প্রেম কুমার রিয়াৎ , দশদা বিএসি চেয়ারমান জিরেন্দ্র রিয়াহ্ , উত্তর জলার জেলাশাসক নাগেশ কুমার বি , জেলার পুলিশ সুপার ড কিরণ কুমার কে , কাঞ্চনপুর মহকুমার মহকুমা শাসক সুভাষ আচার্য , রতনমুনি সেবাশ্রমের কর্মকর্তাগণ ।
পুঁথিগত শিক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে ছাত্রছাত্রীদের মূল্যবোধের শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে- মুখ্যমন্ত্রী
written by janatar kalam
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- পুঁথিগত শিক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে ছাত্রছাত্রীদের মূল্যবোধের শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে । এই শিক্ষাই তাদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন করে তুলবে । পারিপার্শ্বিক ঘটনা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল হতে সাহায্য করবে । আজ কাঞ্চনপুর টাউনহলে কলেজস্তরের ছাত্রছাত্রীদের সাথে এক মত বিনিময় সভায় একথাগুলি বলেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব । তিন বলেন , প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সম্প্রতি পরীক্ষা পে চর্চা নামক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের সাথে মত বিনিময় করেছেন । দীর্ঘ সময় তিনি ছাত্রছাত্রীদের সাথে কথা বলেছেন । প্রধানমন্ত্রীর পরীক্ষা পে চর্চা অনুষ্ঠানটিকে সকল ছাত্রছাত্রীদের দেখার জন্য আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী । মুখ্যমন্ত্রী বলেন , ছাত্রছাত্রীদের ভয়মুক্ত হতে হবে , দিনের নির্দিষ্ট রুটিন মেনে কাজ করতে হবে । নিয়মানুবর্তিতার মধ্যে থাকতে হবে । মুখ্যমন্ত্রী বলেন , প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ আজ নতুন দিশায় এগিয়ে যাচ্ছে । দেশকে নতুন ভাবে সাজিয়ে তুলছেন প্রধানমন্ত্রী । এক সময় শুধু নতুনত্বের কথা বলা হত । কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তা করে দেখিয়েছেন । তিনি নতুন মানসিকতায় নতুন সৃষ্টিতে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গীতে সবাইকে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন । মুখ্যমন্ত্রী বলেন , ত্রিপুরাও আজ নতুন দিশায় এগিয়ে যাচ্ছে । আগামী ২৫ বছরে ত্রিপুরার উন্নয়নের রূপরেখা তৈরী করা হয়েছে । আগামী ২৫ বছরে ত্রিপুরার কোন কোন ক্ষেত্রে কি কি উন্নয়ন হবে , মানুষের জীবনমান তখন কীধরণের হবে , জিডিপি কত হবে তার জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে এই রূপরেখার মধ্যে । মুখ্যমন্ত্রী বলেন , ছাত্রছাত্রীদের এগুলি জানতে হবে । এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে তাদের কোর্স নির্বাচন করতে হবে । তবেই লেখাপড়ার শেষে কাজের সুযোগ হবে । মুখ্যমন্ত্রী বলেন , ত্রিপুরার কোন ছেলেমেয়ের মুখে বেকার শব্দটি যেন উচ্চারিত না হয় সেই লক্ষে সরকার কাজ করছে । বিদ্যাজ্যোতি প্রকল্প চালু হয়েছে রাজ্যে । ছাত্রছাত্রীদের গুণগত শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যেই এই প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে । প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দীর্ঘবছর পর দেশে নতুন শিক্ষানীতি নিয়ে এসেছেন । অনেক পরিবর্তন আনা হয়েছে শিক্ষা ব্যবস্থায় , করা হয়েছে আধুনিকীকরণ । এই নতুন শিক্ষানীতিতে মাতৃভাষায় পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষাদানের ব্যবস্থা রয়েছে ভোকেশনাল কোর্স । বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার সাথে সাথে এই ভোকেশনাল কোর্স পড়ানো হবে । ছাত্রছাত্রীরা লেখাপড়া শেষ করে রোজগারের সাথে যুক্ত হতে পারবে । রোজগারের মানসিকতা ব্যক্তিকে স্বনির্ভর করে তুলবে । স্বনির্ভরতার উপর ভিত্তি করেই আত্মনির্ভর দেশ গড়ে উঠবে । ছাত্রছাত্রীদের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে কাঞ্চনপুর সরকারি মহাবিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীগণ অংশ নিয়েছেন । অনুষ্ঠানে উত্তর ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ও সমাহর্তা নাগেশ কুমার বি , এসপি ড . কিরণ কুমার কে , উচ্চশিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তা নৃপেন্দ্র চন্দ্র শর্মা , কাঞ্চনপুর সরকারি মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড . আর দার্লং প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
