জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- বৃহস্পতিবার খোয়াই জেলার অন্তর্গত চাকমাঘাট টিএসআর ১২ ব্যাটেলিয়ন হেড কোয়াটার পরিদর্শনে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব l এদিন সৈনিক সম্মেলণে জওয়ানদের সাথে মত বিনিময়ের মাঝে বাস্তবিক অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের সুযোগ গ্রহণ করেন মুখ্যমন্ত্রী l এদিন মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন সপ্তম বেতনক্রমের স্বদর্থক প্রভাব, পোশাকের নতুনত্ব বিভিন্ন পদক্ষেপের ইতিবাচক প্রভাব জওয়ানদের কথোপকথণে প্রতিফলিত l এক সময়ে সন্ত্রাসের দৌড়াত্বপূর্ণ গন্ডাতুইসা (পূর্বতন গন্ডাছড়া) সহ অন্যান্য প্রান্তিক এলাকায় সরকারি কর্মচারীদের কর্মনিযুক্তি শাস্তিমূলক হিসেবে পরিগণিত হতো। কিন্তু এখন সেই অঞ্চলে পরিকাঠামো উন্নয়ন, অত্যাধুনিক স্বাস্থ্য পরিষেবা, সড়ক, পরিশ্রুত পানীয় জল, শিক্ষা সহ বহুমুখী বিকাশে সেই অঞ্চলেই কর্মক্ষেত্রে যোগাদানে আগ্রহ প্রকাশ করছেন বলে অভিমত ব্যক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী।
Monthly Archives
March 2022
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী একটি কালী মন্দির হল মেহার কালীবাড়ি। এই কালীবাড়িতে এলাকার মানুষের পাশাপাশি রাজ্যের অন্য প্রান্ত থেকেও মানুষ এসে পূজার্চনা করেন। বুধবার ঐতিহ্যবাহী মেহের কালীবাড়ি তে একটি রুপোর রক্ষা কালী মূর্তি স্থাপন করা হয়, এদিন মূর্তিটি স্থাপিত হয় এলাকার কর্পোরেটর অভিষেক দত্তের হাত ধরে। মূর্তি প্রতিস্থাপনের পর অভিষেক দত্ত রাজ্যের মানুষের মঙ্গল কামনায় পূজার্চনা করেন। অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এলাকার মানুষের মধ্যে উৎসাহ ছিল লক্ষণীয়।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- প্রতিটি মানুষের সুস্বাস্থ্য এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবার সমান অধিকার রয়েছে । আমরা প্রত্যেকে স্বাস্থ্য সমস্যা এড়িয়ে সুস্থ থাকতে এবং দীর্ঘজীবী হতে চাই । দুর্ভাগ্যবশতঃ , আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি এবং ” চিকিৎসা ” জীবনের একটি অংশ হয়ে যায় । আমাদের দেশে 1.3 বিলিয়ন জনসংখ্যা থাকা সত্ত্বেও , ভারতে মাত্র ৪ লক্ষ প্লাস ডাক্তার রয়েছে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হল , ডাক্তারদের বন্টনটি মেট্রো এবং বড় শহরগুলিতেই বেশী । দক্ষিণ ভারতে ভালোরর ঘনত্ব অনেক বেশী । উত্তর – পূর্বে সংখ্যার দিক থেকে প্রয়োজন এর তুলনায় খুবই কম । ভারতে প্রতি 1800 জন মানুষের জন্য মাত্র 1 জন ডাক্তার আছে । প্রকৃতপক্ষে , গ্রামীণ ভারতে যেখানে জনসংখ্যার 75 % কেন্দ্রীভূত , সেখানে আমাদের খুবই কম মাত্র 20 শতাংশ ডাক্তার পরিষেবা দেয় । এই সমস্যার কথা মাথায় রেখে মিঃ প্রবীন কুমার বর্ধন ( ভাইস চেয়ারম্যান এবং সিইও ) , রাজ্যের ছেলে যিনি একজন সমোমনোভাবাপন্ন ব্যক্তি ডক্টর সুধীর কে রেড্ডি ( ব্যবস্থাপনা পরিচালক ) এর সাথে CureTech Solutions India ( Pvt Ltd প্রতিষ্ঠা করেন । উত্তর – পূর্বের জনগণের জন্য Cure Plus ক্লিনিকের ধারণাটি তৈরি করেছেন। মঙ্গলবার এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে এই মহান উদ্যোগের কথা জানালেন CureTech Solutions India এর কর্নধার প্রবীন কুমার বর্ধন। এদিন তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান আমাদের গবেষণা এবং বোঝাপড়ার একটি প্রধান উদ্বেগের বিষয় হল সুপার স্পেশালিষ্ট চিকিৎসকের অভাবের কারণে বর্তমান সমস্যা । আমরা দেখেছি যে ত্রিপুরার জনগণকে শুরুতেই সঠিক ডাক্তারদের দ্বারা চিকিৎসা করাতে সাহায্য করা বিশেষ প্রয়োজন । যাতে তারা আরও জটিলতা এবং দীর্ঘায়িত চিকিৎসা পদ্ধতির সমস্যার মধ্য দিয়ে যেতে না হয় । সাধারণ মানুষের জন্য , পার্থক্য বোঝা খুব কঠিন যদি না তারা সঠিকভাবে নির্দেশিত এবং অবগত না থাকে যে , স্বক্ষণশীল চিকিৎসা এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা দ্বারা এই সমস্যা থেকে বেড়িয়ে আসা সম্ভব । আমরা বিশ্বাস করি যে আমাদের মহৎ পদক্ষেপটি সেই যাত্রার দিকে একটি ছোট উদ্যোগ মাত্র । Cure Plus ক্লিনিক উদ্যোগের একটি অংশ হিসাবে , বর্তমানে চারটি কেন্দ্র বরাক উপত্যকায় কাজ শুরু করেছে । আমাদের পঞ্চম কেন্দ্রটি রবীন্দ্র পল্লী , ( আইজিএম ) হাসপাতালের পেছনে মেডিকোড করা হয়েছে । আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি হল ত্রিপুরা এবং উত্তর পূর্ব , ছাড়াও প্রতিবেশী রাজ্য এবং বাংলাদেশের জনগণকে উচ্চমান সম্পন্ন এন্ড – টু – এন্ড সুপার স্পেশালিটি পরিষেবা প্রদান করা । যেহেতু কেন্দ্রীয় সরকার আগরতলাকে দক্ষিণ – পূর্ব এশিয়ার প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আরও বেশি মনোযোগ দিচ্ছে , তাই আমরা ধীরে ধীরে আগরতলায় আমাদের কেন্দ্রটিকে স্বাস্থ্য পরিষেবার অন্যতম কেন্দ্রে পরিণত করব যাতে বাংলাদেশ , মায়ানমার ইত্যাদি থেকেও চিকিৎসা পর্যটন ( মেডিকেল ট্যুরিজম ) সক্ষম করে আরও বেশি লোকের পৌঁছে দেয়া যায় । প্রযুক্তির বিবর্তনের সাথে সাথে ডিজিটাইজেশন , অপ্টিমাইজেশন এবং ইন্টিগ্রেশন হচ্ছে আদর্শ । আমরা ধীরে ধীরে প্রযুক্তি ব্যবহার করব এবং নিশ্চিত করব যে আমরা আমাদের সুপার স্পেশালিস্টদের কাছ থেকে পাওয়া সময়কে সঠিক ভাবে ব্যবহার করব এবং তাদের চিকিৎসা পরবর্তী ফলো আপের জন্য ডিজিটালভাবে সংযুক্ত করব এবং বিভিন্ন টাইম স্লটে তাদের উপলব্ধ করব । আমাদের লক্ষ্য হল 2 বছরের মধ্যে উত্তর – পূর্ব জুড়ে কমপক্ষে 30 টি সুপার স্পেশালিটি ক্লিনিক স্থাপন করা । প্রতি শনিবার এবং / অথবা রবিবার আমাদের বিভিন্ন সুপার স্পেশালিস্টরা আগরতলায় আসবেন । প্রাথমিকভাবে আমরা হায়দ্রাবাদের বিখ্যাত হাসপাতাল থেকে ডাক্তারদের নিয়ে আসব । ধীরে ধীরে চেন্নাই , ব্যাঙ্গালোর , দিল্লি , মুম্বাই পুনে , শহর থেকেও অভিজ্ঞ ও উচ্চমানের সুপার স্পেশালিস্ট রা আসবেন । আমরা স্থানীয় ডাক্তার এবং হাসপাতালের সাথেও সহযোগিতা করব এবং তাদের ক্ষমতা , পরিষেবা এবং বিদ্যমান পরিকাঠামো সম্পূর্ণরূপে ব্যবহার করব । আমরা তাদের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরিবর্তে বিদ্যমান সেটআপগুলিতে একটি মান সংযোজন করব । আমরা ভ্রমণকারী রোগীদের তাদের কমফর্ট ও স্বল্পমূল্যে দ্রুত পরিষেবা নিশ্চিত করব । ভাগের সমস্ত ধরণের লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করব । ভ্রমণকারী রোগীরা লজিস্টিক , চিকিত্সা কেন্দ্র এবং ডাক্তারদের জন্য সেরা এবং সম্ভাব্য বিকল্পগুলি খুঁজে পেতে তাদের অসুবিধা এবং সিদ্ধান্তহীনতা হ্রাস করতে আমাদের পরিষেবাগুলি খুব ভালভাবে ব্যবহার করতে পারে । থাকার গড় দৈর্ঘ্য কমিয়ে আনা হবে এবং ভ্রমণকারী রোগীর একজন স্থানীয় সহযোগী পেতে পারেন যিনি তাদের সর্বনিম্নতম সময়ের মধ্যে উচ্চমানসম্পন্ন এবং সময়মতো চিকিৎসা পেতে সহায়তা করবেন । চিকিৎসা কালীন সময়ে তারা স্বল্পমূল্যে উপযুক্ত খাবার এবং থাকার ব্যবস্থা অনুভব করব , প্রয়োজন বিশেষে ।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- বুধবার রাজ্যের মাননীয় উপ মুখ্যমন্ত্রী শ্রী যীষ্ণু দেববর্মণ জী’র উপস্থিতিতে চড়িলাম সংলগ্ন পুরানবাড়ীতে যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের উদ্যোগে স্বাস্থ্য সচেতন নাগরিকদের জন্য একটি “ওপেন জিম”-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী। নতুন মন্ত্রী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন এখন থেকে প্রতিদিন এখানে নিখরচায় নিয়মিত শারীরচর্চা করা যাবে। পাশাপাশি এদিন সিপাহীজলা জেলার অন্তর্গত ৩ (তিন)টি মহকুমা (জম্পুইজলা-বিশালগড়-সোনামুড়া) এর অধীন ৩৫ টি সক্রিয় কোচিং সেন্টারের মধ্যে নানা ধরণের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করি। এই ৩৫ টি সক্রিয় কোচিং সেন্টারের মধ্যে ২৪টি তেই ফুটবল,৩টি তে হ্যান্ডবল, ১৪ টি তে কাবাডি,৬টি তে যোগা,১৩টি তে খো-খো,১৫টি তে ভলিবল,৩টি তে বাস্কেটবল,১৬টি তে অ্যাথলেটিকস,২টি তে হকি এবং ১টি তে ক্যারাটে এর ইভেন্টে কোচিং নেওয়ার সুবিধা রয়েছে। এই কোচিং সেন্টার গুলোর মাধ্যমে বর্তমানে ১৭১৪ জন বালক/বালিকা খেলাধুলার বিভিন্ন ইভেন্টে কোচিং নিচ্ছে। তাছাড়া এদিন তিনি আরও বলেন রাজ্যের ক্রীড়াঙ্গণকে উজ্জীবিত করতে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করছে আমাদের যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তর। খেলাধুলা শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটায়, যুব-সমাজ খেলাধুলার মাধ্যমে মাদক থেকে বিরত থাকতে পারে। তাই আমরা চেষ্টা করছি যুব সমাজের পাশে থাকতে। শুধু ক্রীড়া সামগ্রী নয়। যুব সমাজকে ভাল রাখতে সব ক্ষেত্রেই আমরা তাদের পাশে ছিলাম আগামীতেও থাকব।
ক্রীড়া সামগ্রীর অভাবে যাতে খেলাধুলা বন্ধ না হয়, সেজন্য বিভিন্ন কোচিং সেন্টার ও ক্লাবগুলোর মাঝে সরকারের পক্ষ থেকে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। আজকের এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিপাহীজলা জেলার জিলা পরিষদের সভাধিপতি শ্রীমতি সুপ্রিয়া দাস(দত্ত),যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের অধিকর্তা সুবিকাশ দেববর্মা, দপ্তরের উপ-অধিকর্তা পাইমং মগ, বনজিৎ বাগচী,বিপ্লব দত্ত,সমীর দেববর্মা সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- “ত্রিপুরা সিনিয়র সিটিজেনস অ্যান্ড পেনশনার্স সংঘ” আজ বিভিন্ন অমীমাংসিত ৯টি দাবি পূরণের জন্য রাস্তায় নেমেছে। তাছাড়া আজ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, পশ্চিমের মাধ্যমে রাজ্যের সমস্ত জেলার সংগঠনের নেতৃত্বরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাদের দাবিগুলি উত্থাপিত করবেন। এদিন সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আন্দোলনকারীরা 28% ডিএ ছাড়পত্রের দাবি করেছিল যা মুলতুবি রয়েছে। তাছাড়া হোম-গার্ডদের পেনশন এখন পর্যন্ত 750 টাকায় বাড়ানোর দাবি করা হয়েছে, কমপক্ষে 10,000। পেনশনভোগীদের চিকিৎসা ভাতা কমপক্ষে 2000 টাকা হওয়া উচিত এবং বার্ধক্য পেনশন Rs. 2000। পেনশনভোগীদের বার্ষিক বুস্টার 80 থেকে 75 বছর কমাতে হবে। অন্যান্য রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মতো সমস্ত PSU কর্মীদের পেনশন দেওয়া উচিত বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।
জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধিঃ- বুধবার আমরা বাঙালি সদর কার্যালয়ের সামনে এক বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয় আমরা বাঙালি দলের পক্ষ থেকে। এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আমরা বাঙালি দলের সচিব বলেন এই মুহূর্তে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে যে যুদ্ধ সংঘটিত হচ্ছে তার ফলে গোটা বিশ্বের মানুষকে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাছাড়া আমাদের দেশের ও আমাদের ছোট্ট রাজ্য ত্রিপুরার অনেক ছাত্র-ছাত্রী লেখা পড়ার সুত্রে কিংবা অনেকে ব্যবসা সূত্রে সেখানে বসবাস করছেন কিন্তু যে পরিস্থিতি সেখানে চলছে তার ফলে চিন্তিত পরিবারের লোকজন। বলাবাহুল্য গতকাল রাশিয়া ও ইউক্রেনে যুদ্ধের তাণ্ডবে কর্নাটকের মেডিকেল পড়ুয়া ছাত্র সেখানে নিহত হয়েছেন, তাই সেদিকে লক্ষ্য রেখে দেশের সরকার রাশিয়া এবং ইউক্রেনের সাথে কথা বলে মীমাংসা করার পদক্ষেপ নেওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পরিজনদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি রাখেন আমরা বাঙালি বলে জানান তিনি। তাছাড়া তিনি এদিন আরো বলেন এই যুদ্ধ যদি আরো কিছু দিন চলে তাহলে আমাদের দেশকে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে, কেননা ইউক্রেন থেকে তৈল জাতীয় দ্রব্যাদি আমদানি হয়ে থাকে কিন্তু যুদ্ধ চলায় তা বন্ধ হয়ে রয়েছে যার ফলে আমাদের দেশে তেলের দাম বেড়ে গেছে, যার ফলে দেশের সাধারণ মানুষকে ব্যাবক সমস্যার সম্মুখীনের মধ্য দিয়ে চলতে হচ্ছে। সুতরাং এই লড়াই যেন আর দীর্ঘায়ু না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে কেন্দ্রীয় সরকারকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আহব্বান রাখেন।
Older Posts
