জনতার কলম, ওয়েব ডেস্ক ,লেহ: চিনকে কড়া বার্তা সীমান্তে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর। বললেন ‘গালওয়ান আমাদের’। লাদাখ সীমান্তে মোতায়েন সেনাবাহিনীর মনোবল বাড়াতে শুক্রবার ভোরেই লাদাখে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। লেহ থেকে সেনার চপারে করে নিমুতে ফরোয়ার্ড পোস্টে পৌঁছন মোদী।প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী ছিলেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল বিপিন রাওয়াত ও সেনাপ্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে। সীমান্তে মোতায়েন সেনার মনোবল বাড়াতে তাঁদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সেনাবাহিনীকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের বীরত্বের জন্যই দেশ আজ সুরক্ষিত।’ লাদাখ সীমান্তে চিনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ভারত একজোটে লড়াই করবে বলে বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে সাম্রাজ্যবাদী মানসিকতার কোন জায়গা নেই। গোটা বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হলে বিপদ ডেকে আনে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি। যদিও বারবার সেই সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে হারতেই হয়েছে, ইতিহাসই তার সাক্ষ বহন করছে। ভারত শান্তির কথা বলে। লাদাখ হল দেশের মুকুট। গালওয়ান উপত্যকা আমাদের। এরই পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে উৎসাহিত করতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মাতৃভূমির প্রতি আপনাদের সাহসিকতা সারা বিশ্বজুড়ে অতুলনীয়। ভারতবাসী বিশ্বাস করে, ভারতীয় সেনারা প্রত্যেকে দেশকে শক্তিশালী ও সুরক্ষিত করতে পারে।
Monthly Archives
July 2020
জনতার কলম ওয়েব ডেস্ক : করোনা ভয় কাটিয়ে দেশে আনলক ২.০ শুরুর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রক আগামী ৬ জুলাই থেকে রেড ফোর্ট, তাজমহলসহ দেশের সমস্ত স্মৃতিসৌধ খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছ। প্রসঙ্গত করোনা ভাইরাস আতংকের জেরে গত ১৬ মার্চ থেকে দেশের সমস্ত স্মৃতি সৌধগুলি বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্র। এরপর দীর্ঘ প্রায় তিন মাসেরও বেশি সময় পরে খুলতে চলেছে সৌধগুলি। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী প্রহ্লাদ প্যাটেল টুইট করে জানিয়েছেন, ৬ জুলাই থেকে দেশের অমস্ত স্মৃতিসৌধ খুলে দেওয়া হচ্ছে। তবে করোনার পরিস্থিতি বিচার করে এক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে রাজ্য সরকার বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।কেননা দেশে করোনার সংক্রমনের ব্যাপক বৃদ্ধি প্রত্যক্ষ করছে দেশবাস। ২৪ ঘণ্টায় দেশে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ২০ হাজার ৯০৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৭৯ জনের। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬ লক্ষ ২৫ হাজার ৫৪৪।
মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে উদয়পুরের কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের তাদের সাফল্যের পেছনের কাহিনী দেখে নিন
written by janatar kalam
জনতার কলম, এিপুরা, উদয়পুর প্রতিনিধি :- শুক্রবার ঘোষিত হল ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত মাধ্যমিকের নতুন পরীক্ষার্থীর ফলাফল. এই বছর রাজ্যে নজর কাড়লো উদয়পুরের ছাত্রছাত্রীরা, ৪৮২ নম্বর পেয়ে ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের মাধ্যমিক পরীক্ষায় এবছর যুগ্মভাবে চতুর্থ স্থান দখল করলো উদয়পুরের বিবেকানন্দ বিদ্যাপীঠ স্কুলের বর্ণালী দেবনাথ। বর্নালীর পিতা পেশায় চাকরিচ্যুত 10323 শিক্ষক। বর্নালী র এই সাফল্যে খুশি বাবা মা সহ পরিবারের সকল লোকজন ও স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকারা।বর্নালী জানান দৈনিক 4/5 ঘন্টা করে পড়াশুনা করতো। গৃহশিক্ষক ছিলেন ছয় জন। টেষ্ট পরীক্ষায় বর্নালীর প্রাপ্ত নম্বর ছিলো 477। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এদিন বর্নালী জানান আগামীতে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করতে চায়। আগামীতে আই পি এস অথবা আই এ এস অফিসার হওয়ার ইচ্ছা আছেন বলে জানায় বর্ণালী। তাছাড়া 479 নম্বর পেয়ে এবছর ত্রিপুরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদের মাধ্যমিক পরীক্ষায় যুগ্মভাবে সপ্তম স্থান দখল করেছে উদয়পুর বিবেকানন্দ বিদ্যাপীঠ স্কুলের কৃতী ছাত্র সঞ্বন পাল। সঞ্বন এর পিতা শিব প্রসাদ পাল উদয়পুর চাইল্ড লাইনে কর্মরত এবং মা চম্পাকলি পাল গৃহিনী। সঞ্বন বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে চায়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সঞ্বন জানান টেষ্ট পরীক্ষায় তার প্রাপ্ত নম্বর ছিলো ৪৭৩। এইবার মাধ্যমিক পরীক্ষায় ছয় নম্বর বেড়ে হলো ৪৭৯। তার এই সাফল্যের পেছনে মা বাবা দুজনেরই সমান অবদান রয়েছে পাশাপাশি গৃহ শিক্ষক এবং স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা দের অবদান রয়েছে। সঞ্বন জানান ওর ছয়জন গৃহশিক্ষক ছিলো। দৈনিক নির্দিষ্ট সময় সীমা করে পড়াশোনা করতো না, যখন ই ভালো লাগতো পড়াশোনা করতো। সঞ্বন এর কার্টুন দেখতে ভালো লাগে এবং মাঝে মাঝে মোবাইলে গান শুনতে পছন্দ করে। পাশাপাশি ৪৮৩ নম্বর পেয়ে যুগ্মভাবে তৃতীয় স্থান অধিকার করল উদয়পুর ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের অলড্রিন রায়, বাবার নাম মানিক রায়, এবং মার নাম বর্ণালী রায়.
রাজ্য এনএসইউ আই এর সাধারণ সম্পাদক জাভেদ কালাম চৌধুরীর উপর বিজেপি দুষ্কৃতীদের দ্বারা হামলার অভিযোগ
written by janatar kalam
সংবাদ প্রতিনিধি ত্রিপুরা আগরতলা:- প্রশাসন কি নিজ দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারছেন না, নাকি দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন পুর পরিষদের হাতে, এমনই এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা পরিলক্ষিত হল কৈলাশহরে. জানা যায় রাজ্য এন এস ইউ আই এর সাধারণ সম্পাদক জাভেদ আলাম চৌধুরি ওরফে শানু কৈলাশহর প্রদেশ কংগ্রেস কার্যালয় থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে যাওয়ার পথে স্থানীয় নেতাজী কলোনি এলাকায় পুর পরিষদের কর্মীরা রাস্তায় যারা মাক্স না পড়ে বের হয়েছেন তাদেরকে ফাইন করার জন্য নেমেছেন রাস্তায়, ঠিক সে সময় জাভেদ কালাম চৌধুরীকে মুখে মাক্স পড়া রত অবস্থায় আটক করে পুর পরিষদের কর্মীরা এবং তাকে ফাইন দেওয়ার জন্য বলেন. কেন তিনি ফাইন দেবেন মুখে তো মার্কস আছে সে বলে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে যায় জাবেদ কালাম চৌধুরী ও পুরো নিগমের কর্মীদের মধ্যে এবং সেখানেই তাকে শারীরিকভাবে অত্যাচার করা হয় বলে জানা যায়, সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল স্থানীয় কৈলাশহর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা যায়.
সাত দফা দাবির ভিত্তিতে সারা রাজ্যব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সারা ভারত গণতান্ত্রিক নারী সমিতি
written by janatar kalam
সংবাদ প্রতিনিধি ত্রিপুরা আগরতলা:- রাজ্যে লকডাউন এর মাঝেও অব্যাহত রয়েছে নারীঘটিত অপরাধ, এই সমস্যা নিয়ে সারা ভারত নারী সমিতি বারংবার রাজ্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাইলেও হেলদোল পরিলক্ষিত হলো না প্রশাসনের, তারই পরিপ্রেক্ষিতে আজ রাজ্যে নারী নির্যাতন, গরিব শ্রেণীর মানুষ যারা শ্রমিক তাদের পরিবারকে সাড়ে সাত হাজার টাকা করে দেওয়া এবং রেগার কাজ ২০০ দিন করা এবং রেগার মজুরি ৩৪০ করাসহ মোট ৭ দফা দাবি নিয়ে সরব হল সারা ভারত গণতান্ত্রিক নারী সমিতি.
লোন দেওয়ার লালসা দিয়ে এলাকার জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা এলাকার কাউন্সিলরের
written by janatar kalam
সংবাদ প্রতিনিধি ত্রিপুরা আগরতলা:- জানা যায় শহরতলী প্রতাপগড় এর ৩১ নং ওয়ার্ড এলাকার জনগণদের এলাকার কাউন্সিলর সামান্য ডকুমেন্টস এর ভিত্তিতে ঋণ প্রদান করার কথা জানান বলে জানা যায়, পরের দিন এলাকাবাসী সেই ডকুমেন্টস গুলো নিয়ে কাউন্সিলরের অফিসে গেলে সেরকম কোন কথা বলা হয়নি বলে জানান এলাকার কাউন্সিলর. তারই পরিপ্রেক্ষিতে শাসক দল বিজেপির মণ্ডল কমিটির কার্য কর্তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ওয়ার্ড অফিসে হানা দিলে এবং ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে তথ্যের উপর সঠিক উত্তর তিনি দিতে পারেননি, এদিকে মণ্ডল কমিটির ওয়াকিং প্রেসিডেন্ট এলাকার কাউন্সিলর কাছে অনুরোধ রাখেন তিনি যদি সত্যিই গরিব মানুষের স্বার্থে দল-মত নির্বিশেষে এরকম কোন উদ্যোগ নিয়ে থাকেন তাহলে সেটা কার্যকরী করার জন্য এবং এলাকার কাউন্সিলর এর পাশে থাকার আশ্বাস ও দেন তিনি.
পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিল রাজধানী দুর্জয় নগর এলাকার এক গৃহবধূ.
by prasenjit
written by prasenjit
সংবাদ প্রতিনিধির ত্রিপুরা আগরতলা:- ঘটনার সূত্রে জানা যায় গৃহবধুটি প্রায়ই শ্বশুরবাড়ির লোকেদের কাছে মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে বলে অভিযোগ মৃতার বাড়ির লোকেদের. এই ঘটনাটি মৃত গৃহবধূ টি প্রায়ই তার বাবার বাড়ী লোকেদের কাছে জানাত বলে জানা যায়, মানসিক নির্যাতন এই পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে যে কোন কিছুর কুলকিনারা না পেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়ে পৃথিবী থেকে চির বিদায় নিল গৃহবধুটি. তারই পরিপ্রেক্ষিতে মৃতার বাড়ির পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয় শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে, অভিযুক্ত স্বামী লক আপ এ রয়েছে বলে জানান মৃতার আত্মীয়.
জনতার কলম,কমলাসাগর প্রতিনিধি:-টানা লকডাউনে স্কুল-কলেজ বন্ধ। বাড়িতে বসেই মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইনে ক্লাস। দশম শ্রেণীতে পড়ে মেয়ে।সুতরাং অনলাইনে ক্লাস করার জন্য এন্ড্রয়েড মোবাইল একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু নিত্য অভাবের সংসার। দুই মেয়ে,এক ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে দিনমজুরের কাজ করে কোন রকমে সংসার চালিয়ে যাচ্ছিলেন সুকুমার ভৌমিক (৪৫)। বাড়ি বিশালগড় মহাকুমা মধুপুর থানাধীন পুরাথল রাজনগর কলোনি এলাকায়। পরিবারের সবচেয়ে বড় মেয়ে দশম শ্রেণীতে পড়ে। অনেকদিন ধরেই বাবার ওপর প্রচণ্ড চাপ দিচ্ছে দশম শ্রেণীর ছাত্রী। অনলাইনে ক্লাস করতে অতিসত্বর এন্ড্রয়েড মোবাইল চাই। নিত্য অভাবের সংসারে লকডাউন এর ফলে দিনমজুর বাবা সংসার চালাতেই হিমশিম খাচ্ছেন তার ওপর আবার মেয়ের এন্ড্রয়েড মোবাইলের চাহিদা। অনেক কষ্ট করে কোন রকমে দিনমজুর বাবা একটা সাধারন মানের মোবাইল কিনে দিয়েছেন মেয়েকে। আর তাতেই মেয়ের রাগ । মা ও মেয়ে মিলে বাবার সঙ্গে শুরু হয় ঝগড়া। প্রচন্ড রাগ ক্রোধ অভিমানে বাবা কিনে আনা নতুন মোবাইল সেট টি সবার সামনেই আছাড় দিয়ে ভেঙ্গে ফেলেন। মোবাইলটা ভেঙ্গে ফেলার পর থেকেই কারো সাথে কোন কথাবার্তা বলেন নি। পরিবারের লোকজন ও অভিমানে কোন কথা বলেননি।গতকাল রাতের বেলায় নিজের বসত করে না ঘুমিয়ে একা একা ভাঙ্গা একটি ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। পারিবারিক অশান্তি তো চলছিল ই। কিন্তু ইচ্ছা থাকলেও উপায় নেই। দিনমজুর বাবা কোথায় থেকে কিনে আনবে এন্ড্রয়েড মোবাইল। অবশেষে পারিবারিক অশান্তির জেরে আত্মঘাতী হয়ে চিরতরে বিদায় নেয় হতভাগা বাবা। বুধবার সকাল ছয়টার দিকে মধুপুর থানায় ফোন করে জানানো হয় এই দিনমজুরের আত্মঘাতীর খবর। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেখেন বাড়িতেই একটি ভাঙ্গাচুরা ঘরে ফাঁসিতে ঝুলে রয়েছেন হতভাগা বাবা। সেখান থেকে মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয় হাসপাতালে। হতভাগা বাবার অস্বাভাবিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে সমগ্র এলাকা জুড়ে।
Older Posts
