জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- ত্রিপুরা বার কাউন্সিল নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শনিবার শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হচ্ছে। সকাল ৯টা থেকে আগরতলায় ত্রিপুরা হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। প্রথম দিকে ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও সকাল ১০টার পর থেকে আইনজীবীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে থাকে।
নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার বিচারপতি এস সি দাস সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচনী প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে চলছে এবং কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর নেই। আগরতলায় ত্রিপুরা হাইকোর্ট চত্বরে মোট সাতটি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলিতে একযোগে ভোটগ্রহণ চলছে।
শুধু আগরতলা নয়, রাজ্যের অন্যান্য মহকুমা ও শহর মিলিয়ে মোট নয়টি জায়গায় ভোটকেন্দ্র খোলা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলি হল বিশালগড়, সোনামুড়া, উদয়পুর, বেলোনিয়া, খোয়াই, কৈলাসহর, কমলপুর ও ধর্মনগর। প্রতিটি কেন্দ্রে আলাদা করে রিটার্নিং অফিসার, পোলিং অফিসার ও অবজার্ভার নিয়োগ করা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনায় যুক্ত সকল আধিকারিককে আগেভাগেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
রিটার্নিং অফিসারের মতে, বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করবেন, তারা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। ভোটগ্রহণ শেষ হলে ব্যালট বক্স সিল করে নিরাপত্তার সঙ্গে সংরক্ষণ করা হবে।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১,৬৭৮ জন। এর মধ্যে শুধুমাত্র আগরতলায় ভোটার রয়েছেন ১,১৯১ জন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে মোট ১১ জন প্রার্থী ত্রিপুরা বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হবেন।
নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় প্রক্রিয়া সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনেই পরিচালিত হচ্ছে। ত্রিপুরা ছাড়াও দ্বিতীয় ধাপে অন্ধ্রপ্রদেশ ও দিল্লিতে একসঙ্গে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
রিটার্নিং অফিসার জানান, আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত হাই পাওয়ার কমিটি এবং দুইজন কাউন্টিং এক্সপার্ট রাজ্যে আসবেন। ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ভোট গণনার কাজ শুরু হবে। নির্বাচন পরবর্তী ফলাফল নিয়ে আইনজীবী মহলে কৌতূহল ও আগ্রহ তুঙ্গে।

