Site icon janatar kalam

কর্মীকেই অগ্রাধিকার—‘মোদি স্টোরি’-তে অনুপ্রেরণার কথা বললেন নিতীন নবীন

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে তরুণ জাতীয় সভাপতি হিসেবে নিতীন নবীনকে পেল। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি বিজেপির ১২তম সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। এই উপলক্ষে ‘মোদি স্টোরি’ শিরোনামে তাঁর জীবনের একটি অনুপ্রেরণামূলক অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়।

‘মোদি স্টোরি’ নামের সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত পোস্টে জানানো হয়, বিজেপি এমন একটি সংগঠন যেখানে সাধারণ কর্মীই সংগঠনের মূল শক্তি। একজন সাধারণ কর্মীকেও দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা বিজেপির সাংগঠনিক ঐতিহ্য। নিতীন নবীনের জাতীয় দায়িত্ব গ্রহণ সেই ঐতিহ্যেরই শক্ত প্রমাণ।

প্রকাশিত ভিডিওতে নিতীন নবীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছ থেকে তিনি কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক বজায় রাখা, নিয়মিত যোগাযোগ রাখা এবং সংগঠনের শিকড়কে মজবুত করার গুরুত্ব শিখেছেন। তাঁর কথায়, কর্মীদের প্রতি সম্মান ও সংবেদনশীলতাই বিজেপির মূল পরিচয়।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিতে গিয়ে নিতীন নবীন জানান, বিহারে জাতীয় কার্যসমিতির বৈঠক উপলক্ষে পাটনায় একটি বৃহৎ র‍্যালির আয়োজন করা হয়েছিল। সে সময় দলের বহু শীর্ষ নেতা পাটনায় পৌঁছান এবং প্রোটোকল অনুযায়ী বিমানবন্দরে তাঁদের অভ্যর্থনার ব্যবস্থা করা হয়।

নিতীন নবীনের কথায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিমানবন্দরে পৌঁছে জানতে চান বাইরে বিপুল সংখ্যক কর্মী উপস্থিত আছেন কি না। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া মাত্রই তিনি বলেন, কর্মীদের সঙ্গে দেখা করেই তিনি এগোবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী গাড়িতে না উঠে পায়ে হেঁটে কর্মীদের কাছে যান, তাঁদের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন এবং সকলকে অভিবাদন জানান।

নিতীন নবীন বলেন, ঘটনাটি ছোট হলেও এর মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী মোদির কর্মীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সংবেদনশীলতার পরিচয় পাওয়া যায়। তিনি উল্লেখ করেন, চাইলে প্রধানমন্ত্রী গাড়িতে বসেই হাত নেড়ে চলে যেতে পারতেন, কিন্তু তিনি নিজে হেঁটে কর্মীদের সঙ্গে দেখা করার পথ বেছে নিয়েছিলেন।

এই অভিজ্ঞতাই তাঁকে সংগঠনে কর্মী-কেন্দ্রিক চিন্তাধারা ও মজবুত তৃণমূল সংযোগের গুরুত্ব গভীরভাবে উপলব্ধি করতে সাহায্য করেছে বলে জানান নিতীন নবীন।

Exit mobile version