জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- মিয়ানমারে আজ শুক্রবার পরপর দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুধু মিয়ানমার নয়, এর প্রভাব অনুভূত হয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ডসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ও শহরে। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৮ মার্চ) দুপুরে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পরে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী আফটারশক অনুভূত হয়। থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা শহরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
জুন্টার তরফে টেলিগ্রামে জানানো হয়েছে, মায়ানমারের ছ’টি রাজ্য এবং প্রদেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হচ্ছে। গৃহযুদ্ধের কারণে জুন্টা অনেক এলাকায় পৌঁছোতে পারেনি। যে যে এলাকা বিদ্রোহীদের দখলে, সেখানে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কেমন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সেই এলাকাগুলিতে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া যাবে কি না, তা নিয়েও সংশয় রয়েছে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রচারিত হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে যে বহুতল ভবনটি একটি ক্রেনসহ ভেঙে পড়ছে, ধুলোর মেঘে ছড়িয়ে পড়ছে এবং আশপাশের লোকজন চিৎকার করে দৌড়ে পালাচ্ছেন।
ভূমিকম্পের উৎসস্থল থেকে ব্যাঙ্ককের দূরত্ব অন্তত ৯০০ কিলোমিটার। তবু সেখানেও জোরালো কম্পন অনুভূত হয়। ব্যাঙ্কককে ‘ক্ষতিগ্রস্ত’ এলাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে তিন জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে ব্যাঙ্কক প্রশাসন। জরুরি সফর বাতিল করে তাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বসেছেন। শহরে ট্রেন এবং মেট্রো পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
ভূমিকম্পের ফলে ব্যাঙ্ককে ভেঙে পড়ে একটি নির্মীয়মাণ গগনচুম্বী বহুতল। সেই ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে তিন জন মারা গিয়েছেন। এখনও অনেকের খোঁজ পাওয়া যায়নি। উপপ্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপে ৮১ জনের চাপা পড়ে থাকার সম্ভাবনা। উদ্ধারকাজ চলছে।