জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- জাতীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় ত্রিপুরার ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করলেন রাজ্যপাল ইন্দ্রসেনা রেড্ডি নাল্লু । আজ আগরতলার মিলিটারি স্টেশনে আয়োজিত প্রাক্তন সৈনিকদের এক সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ত্রিপুরার কৌশলগত গুরুত্ব অপরিসীম। এ রাজ্যের যুবশক্তির একটি বড় অংশ সেনাবাহিনীতে যোগদানের মাধ্যমে দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে।
রাজ্যপাল বলেন, ত্রিপুরার বহু তরুণ সেনাবাহিনীতে যোগদানের স্বপ্ন দেখেন। সেই ক্ষেত্রে প্রাক্তন সৈনিকদের পথপ্রদর্শকের ভূমিকা নিতে হবে। নিজেদের অভিজ্ঞতা, সংগ্রাম ও দেশসেবার অনুপ্রেরণামূলক কাহিনী তুলে ধরে তাঁরা তরুণ প্রজন্মকে দেশসেবায় উদ্বুদ্ধ করতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের সুরক্ষায় সামরিক বাহিনীর সদস্যরা যখন সীমান্তে দায়িত্ব পালন করেন, তখন তাঁদের পরিবারের সদস্যরা, বিশেষ করে বীর নারীরা, ঘরের দায়িত্ব একা হাতে সামলান। সমাজ তাঁদের এই অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।
প্রাক্তন সৈনিক ও তাঁদের পরিবারের সার্বিক কল্যাণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলেও জানান রাজ্যপাল। স্বাস্থ্যসুরক্ষা, আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল অভিজিৎ এস পান্দুলকর। স্বাগত ভাষণ দেন ৭৩ মাউন্টেন ব্রিগেডের কমান্ডার ভি.এস.এম. ব্রিগেডিয়ার ধীরাজ সিং। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ৫৭ মাউন্টেন ডিভিশনের জিওসি ভি.এস.এম. মেজর জেনারেল শুভঙ্কর বসু, আসাম রাইফেলস (ইস্ট)-এর আইজি মেজর জেনারেল ইন্দ্রজিৎ সিং ভিন্ডা, ২১ আসাম রাইফেলসের সেক্টর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার নিশান্ত চান্দেল এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্যসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানে কয়েকজন প্রাক্তন সৈনিক ও বীর নারীদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন রাজ্যপাল। পাশাপাশি অনুষ্ঠান উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রদর্শনী মণ্ডপ ঘুরে দেখেন তিনি।

