পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনার একমাত্র লক্ষ্য মানুষের কাছে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন করা : বিদ্যুৎমন্ত্রী 

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- রাজধানীর বিদ্যুৎভবনে পি এম সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনার মেগা শিবির এবং প্রদর্শনী বসেছে। এই মেগা শিবিরে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতন লাল নাথ, বিদ্যুৎ দপ্তরের সচিব অভিষেক সিং সহ বিদ্যুৎ নিগমের অন্যান্য আধিকারিকরা। এই মেঘা শিবির থেকে গ্রাহকদের সংশ্লিষ্ট যোজনার উপকারিতা গুলি বিস্তারিতভাবে অবগত করা হচ্ছে।

ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ আরো সহজ ভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনা নামে একটি যোজনা চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ।সারা দেশে এই প্রকল্প চালু হয়েছে। রাজ্যেও এই প্রকল্প শুরু হয়েছে। এই প্রকল্প সম্পর্কে বিদ্যুতের গ্রাহকদের বিস্তারিতভাবে অবগত করানোর লক্ষ্যে বিদ্যুৎ ভবনে সোমবার পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনার মেগা শিবিরের আয়োজন করা হয়।

এই মেগা শিবিরে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতনলাল নাথ, বিদ্যুৎ দপ্তরের সচিব অভিষেক সিং সহ বিদ্যুৎ নিগমের উচ্চপদস্থ আধিকারিকগণ।এদিন এই মেগা শিবির প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতন লাল নাথ জানান,বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রাকৃতিক উৎস গুলি ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। এই অবস্থায় ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পরিষেবা অটুট রাখতে সোলার সিস্টেমে বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনা নামে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এই প্রকল্পে গ্রাহকরা প্রায় বিনে পয়সায় নিজ বাড়িতেই সোলার প্লান্ট লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবেন। প্রয়োজনে এই উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিক্রিও করতে পারবেন ।এই নতুন পরিকল্পনা সম্পর্কে গ্রাহকদের অবগত করানোর লক্ষ্যেই এই মেঘা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতন লাল নাথ।

 

পিএম সূর্য ঘর মুফত বিজলি যোজনার শিবিরে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ দপ্তরের সচিব অভিষেক সিং। তিনি জানান, এই যোজনায় এক কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন সোলার প্লান্ট স্থাপন করতে গ্রাহকদের খরচ হবে ৭২ থেকে ৭৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৩৩ হাজার টাকা ভর্তুকি রয়েছে ।বাকি অর্থরাশীর জন্য ব্যাংকের লোনের ব্যবস্থা করা হয়েছে,। গ্রাহকরা চাইলে বাকি অর্থ রাশির জন্য সাত শতাংশ সুদে ব্যাংক থেকে লোন নিতে পারবেন। বিদ্যুৎ সচিব জানান ,বিদ্যুৎ দপ্তরের এক কর্মী ইতিমধ্যেই বাড়িতে এক কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন সোলার প্লান্ট বসিয়েছেন। এই প্ল্যান্ট বসানোর আগে তাকে প্রতি মাসে ২৫ থেকে ২৭০০ টাকা বিদ্যুৎ বিল দিতে হত। এখন তিনি মাত্র বারো টাকা বিদ্যুতের বিল দিচ্ছেন।

 

 

 

 


Posted

in

by

Tags:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *