Site icon janatar kalam

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নের দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী: রাজীব

জনতার কলম ত্রিপুরা আগরতলা প্রতিনিধি :- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উত্তর পূর্বাঞ্চলের সার্বিক বিকাশে সবচেয়ে বেশি ধ্যান দিয়েছেন। সোমবার রাজ্যসভায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রেল বাজেটের সমর্থনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই দাবি করলেন রাজ্যের রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য। তিনি জানান, আর কিছুদিনের মধ্যেই বন্দে ভারতের মতো রেল পরিষেবা পেতে চলেছে ত্রিপুরা।

যাত্রী সুরক্ষায় রেল বাজেটে অর্থের সংস্থান বৃদ্ধি করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। ভারতবর্ষ স্বাধীতার পর দেশে অনেক সরকারের উত্থান ও পতন হয়েছে। কিন্তু কোন সরকার উত্তরপূর্বাঞ্চলের উন্নয়নের দিকে নজর দেয় নি। একমাত্র প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসর পরই উত্তরপূর্বাঞ্চলের উন্নয়নের দিকে বিশেষ নজর দিয়েছে।

সোমবার রেল বাজেট নিয়ে সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন রাজ্য সভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত হন নরেন্দ্র মোদী। আর ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হবার মাত্র ২ বৎসরের মধ্যেই ২০১৬ সালে ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় প্রথমবার ব্রডগ্রেজ পরিষেবা চালু করেন প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

বিগতদিনে উত্তর পূর্বাঞ্চলের দিকে কেউ নজর-ই দিত না। তিনি আরো জানান, আর কিছু দিনের মধ্যে বন্দে ভারত এর মত রেল পরিষেবাও পেতে চলেছে ত্রিপুরা রাজ্য। সুরক্ষা ক্ষাতে রেল বাজেটে অর্থের সংস্থান বৃদ্ধি করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য।

তিনি জানান, ২০১৩-১৪ সালে রেলের সুরক্ষায় পূর্বতন ইউপিএ সরকার ধার‍্য করেছিল মাত্র ৪০ হাজার কোটি টাকা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেলের সুরক্ষাক্ষাতে ধার্য করেন একলক্ষ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেল সুরক্ষায় বরাদ্দ করা হয় ১ লক্ষ ১৪ হাজার কোটি টাকা। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের পস্তাবিত বাজেটে রেলের সুরক্ষায় ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে বলে জানান রাজ্যসভার সাংসদ রাজিব ভট্টাচার্য।

তিনি আরো জানান, বিদ্যুতের মাধ্যমে রেল পরিষেবার কাজ ইতিমধ্যেই ৮৬ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই কাজ ১০০ শতাংশ সম্পন্ন হয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

Exit mobile version