Site icon janatar kalam

আসামে ৫,৪৫০ কোটির প্রকল্প উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর, ব্রহ্মপুত্রে নতুন সেতু ও ই-বাস পরিষেবার সূচনা

জনতার কলম ওয়েবডেস্ক :- আসামে আজ ৫,৪৫০ কোটিরও বেশি টাকার একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গুয়াহাটি-তে ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর নির্মিত কুমার ভাস্কর বর্মা সেতুর উদ্বোধন করেন তিনি। প্রায় ৩,০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতু গুয়াহাটি ও উত্তর গুয়াহাটিকে যুক্ত করবে।

সেতু উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী কাছের লাচিত ঘাট এলাকায় যান এবং সেখান থেকে ভার্চুয়ালি Indian Institute of Management Guwahati-এর অস্থায়ী ক্যাম্পাস ও কামরূপ জেলার আমিনগাঁওয়ে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জাতীয় ডেটা সেন্টারের উদ্বোধন করেন।

এদিন প্রধানমন্ত্রী পিএম ই-বাস সেবা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি শহরে ২২৫টি ইলেকট্রিক বাসের সূচনা করেন। এর মধ্যে গুয়াহাটির জন্য ১০০টি, নাগপুর ও ভাবনগর-এর জন্য ৫০টি করে এবং চণ্ডীগড়-এর জন্য ২৫টি বাস বরাদ্দ করা হয়েছে।

এর আগে দিনের শুরুতে ডিব্রুগড় জেলায় মোরান বাইপাসে জাতীয় সড়কের উপর নির্মিত জরুরি অবতরণ সুবিধা (Emergency Landing Facility) উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই পরিকাঠামো উদ্বোধনের পর তিনি যুদ্ধবিমান, পরিবহন বিমান ও হেলিকপ্টারের আকাশ প্রদর্শন প্রত্যক্ষ করেন।

দিনব্যাপী সফরে থাকা প্রধানমন্ত্রী পরে গুয়াহাটিতে ‘বুথ বিজয় সংকল্প সভা’-য় ভাষণ দেন। তিনি বলেন, আসামসহ সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চল ভারতের ‘অষ্টলক্ষ্মী’। তাঁর দাবি, গত ১১ বছরে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নে ঐতিহাসিক ভূমিকা নিয়েছে, যেখানে আগের কংগ্রেস সরকারের সময় এই অঞ্চল অবহেলিত ছিল।

প্রধানমন্ত্রী জানান, গত ১১ বছরে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য ৫.৫ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং পরিকাঠামো উন্নয়নে অভূতপূর্ব অগ্রগতি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলেই আসাম দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্রোথ ইঞ্জিন হিসেবে উঠে এসেছে।

সংযোগ ব্যবস্থা ও পরিকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে কর বণ্টনের আওতায় আসামের জন্য রেকর্ড ৪৯,৭২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। রাজ্যে নদী পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়নের পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী।

Exit mobile version